কোরবানির গোশত বিক্রি করা কি জায়েজ? জেনে নিন সঠিক ইসলামি বিধান

কোরবানি কেবল পশু জবাই করার প্রক্রিয়া নয় বরং এটি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে ত্যাগ এবং আনুগত্যের এক মহান শিক্ষা। প্রতি বছর আরবি জিলহজ মাসের ১০, ১১ এবং ১২ তারিখে বিশ্বের মুসলমানরা মহান আল্লাহর নির্দেশ পালনের উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি দিয়ে থাকেন।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্য করা যায় যে কোরবানির ঈদের দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে কোরবানির পশুর গোশত বিক্রি করা হয়। এই বিষয়ে ইসলামি শরিয়তের বিধান অত্যন্ত স্পষ্ট।
শরিয়ত অনুযায়ী কোরবানির পশুর গোশত বিক্রি করা জায়েজ নয় কারণ কোরবানির পশু কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা হয়। এর কোনো অংশ বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করা ইবাদতের মূল উদ্দেশ্যের পরিপন্থি কাজ হিসেবে গণ্য হয়।
হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে রাসুলুল্লাহ (সা.) কোরবানির পশুর গোশত এবং চামড়া সদকা করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং জবাইকারীর পারিশ্রমিক সেখান থেকে না দেওয়ার কথা বলেছেন।
শরিয়ত মোতাবেক পশুর গোশত, চামড়া, চর্বি বা হাড় বিক্রি করে ব্যক্তিগত কাজে সেই অর্থ ব্যবহার করা বৈধ নয়। যদি কেউ ভুলবশত বা না বুঝে কোরবানির পশুর কোনো অংশ বিক্রি করে ফেলেন তবে বিক্রয়লব্ধ পুরো অর্থ গরিব ও দুস্থদের মাঝে সদকা করে দেওয়া বাধ্যতামূলক।
এনএন/ ২৭ মে ২০২৬









