নেত্রকোনা

নেত্রকোনায় মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার

নেত্রকোনা, ৬ মে – নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক আমানউল্লাহ সাগরকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। বুধবার ভোররাতে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে র‍্যাব ১৪ এর একটি দল তাকে গ্রেফতার করে। সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম।

তিনি জানান, ভোর সোয়া চারটার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকা থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়। দুপুরের দিকে তাকে মদন থানায় হস্তান্তরের কথা রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে যত দ্রুত সম্ভব আসামিকে আদালতে পাঠানো হবে। গ্রেফতারকৃত আমানউল্লাহ সাগর মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে।

তিনি স্থানীয় হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত বছরের দুই নভেম্বর মাদরাসা ছুটির পর ভুক্তভোগী শিশুটিকে ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে ডেকে নেন আমানউল্লাহ। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে প্রথমবার ধর্ষণ করা হয়। এরপর কয়েক দফায় শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়।

এই ঘটনা কাউকে জানালে শিশুটিসহ তার পরিবারের সদস্যদের মেরে ফেলার হুমকি দেন ওই শিক্ষক। সম্প্রতি শিশুটির শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিলে পরিবারের সদস্যরা তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। সেখানে পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায়, ১১ বছর বয়সী ওই শিশুটি ২০ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। এই ঘটনায় গত ২৩ এপ্রিল ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে মদন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এস এম/ ৬ মে ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language