মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদে বড় সংকট

ওয়াশিংটন, ২৪ এপ্রিল – মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। নিউইয়র্ক টাইমসের এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, এশিয়া ও ইউরোপের জন্য নির্ধারিত সংরক্ষিত অস্ত্রগুলো এখন মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হচ্ছে। এর ফলে অন্যান্য অঞ্চলে মার্কিন সামরিক প্রস্তুতি কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন দেশটির সামরিক কমান্ডারেরা। প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ১ হাজার ১০০টি দূরপাল্লার স্টেলথ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।
এসব ক্ষেপণাস্ত্র মূলত চীনের মতো বড় শক্তির বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য মজুত ছিল। প্রতিরক্ষা বিভাগের অভ্যন্তরীণ তথ্য এবং কংগ্রেসের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য মতে, ফুরিয়ে আসা মজুদের মধ্যে ১ হাজারের বেশি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা মিসাইল এবং এটিএসিএএমএস ধরনের ভূমি থেকে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। জরুরি চাহিদা পূরণে যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি থেকে গোলাবারুদ সরিয়ে আনছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এতে সেসব অঞ্চলে সম্ভাব্য হুমকির মুখে প্রস্তুতির ঘাটতি তৈরি হতে পারে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, মার্কিন সামরিক কৌশল বর্তমানে অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর বেশি নির্ভরশীল। তবে প্রতিরক্ষা শিল্পখাত এত দ্রুত উৎপাদন বাড়াতে পারবে কি না তা নিয়ে প্রবল সংশয় রয়েছে। প্রতিরক্ষা বিভাগ হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, ক্ষেপণাস্ত্রের এই ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে কয়েক বছর সময় প্রয়োজন হতে পারে যা বৈশ্বিক কৌশলী ভারসাম্যকেও প্রভাবিত করতে পারে।
এস এম/ ২৪ এপ্রিল ২০২৬









