তুরস্কের পর এবার আজারবাইজানে ইরানের ড্রোন হামলা, উত্তেজনা তুঙ্গে

তেহরান , ৬ মার্চ – ইরান এবং ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাত এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার প্রতিশোধ এবং ইসলামী শাসন ব্যবস্থা রক্ষার লক্ষ্যে মরিয়া হয়ে লড়ছে তেহরান। ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি। গত ছয় দিন ধরে চলা এই হামলা ও পাল্টা হামলায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য কার্যত একটি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। যুদ্ধের এই আঁচ মধ্যপ্রাচ্যের সীমানা ছাড়িয়ে এখন ইউরোপের দোরগোড়ায় পৌঁছেছে।
তুরস্কের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার মাত্র একদিন পরেই এবার আজারবাইজানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। আজারবাইজানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে ইরান থেকে ছোড়া একাধিক ড্রোন তাদের ভূখণ্ডে আঘাত হেনেছে। এর মধ্যে একটি ড্রোন সরাসরি নাখচিভান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনে এবং অন্যটি শাকারাবাদে একটি স্কুল ভবনের কাছে আছড়ে পড়ে।
এসব হামলায় অন্তত দুইজন বেসামরিক নাগরিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আজারবাইজানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, হামলায় বিমানবন্দরের কাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে এবং বেসামরিক মানুষ আহত হয়েছে। অন্যদিকে উত্তর উপসাগরে একটি মার্কিন ট্যাংকারে হামলার দায় স্বীকার করেছে আইআরজিসি। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিমের বরাতে আল জাজিরা জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে এই হামলা চালানো হয়। আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের কোনো জাহাজকে ওই সমুদ্রপথ ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না এবং দেখামাত্রই হামলা চালানো হবে।
এসএএস/ ৬ মার্চ ২০২৬









