জাতীয়

সাঈদ খোকন ও কাদের মির্জাকে নিয়ে অস্থির আওয়ামী লীগ

ঢাকা, ৯ জানুয়ারি- আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ এখন আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের কিছু নেতা আওয়ামী লীগের আরেক নেতার সমালোচনা করছেন। তাদের বক্তব্যে কেবল ঐ নেতা নয়, পুরো দলই বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পরছে। ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক ভাবে পরিচিত আওয়ামী লীগের দুই নেতার কথা বার্তায় এখন অস্থির আওয়ামী লীগ। এদের একজন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা, অন্যজন স্থানীয় নেতা।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাঈদ খোকন। ক’দিন আগেও ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ছিলেন। তার মেয়াদ শেষ হলে দলের মনোনয়ন পাননি। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হয়ে, শেখ ফজলে নূর তাপস এখন দক্ষিণের মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তাপস দুর্নীতি এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন। সেই অবস্থানের অংশ হিসেবেই ফুলবাড়িয়ায় অবৈধ দোকান উচ্ছেদ হচ্ছে। এতে বিপাকে পরেছেন সাঈদ খোকন। কারণ ঐ সব দোকানের বিতর্কিত বরাদ্দ তার সময়ে দেয়া হয়েছিল। এনিয়ে তিনি সরাসরি ব্যক্তিগত ভাবে তাপসের সংগে কথা বলতে পারতেন। কিন্তু সেটি না করে, শুরু থেকেই তাপসকে আক্রমন করে বসেন। আজও (শনিবার, ৯ জানুয়ারি) তিনি মেয়র তাপসের সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করে বক্তব্য রেখেছেন ব্যবসায়ীদের সমাবেশে।আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা এই প্রকাশ্য অবস্থানে বিব্রত। আওয়ামী লীগের একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেছেন ‘বিষয়টি দলীয় ফোরামে আলোচনা করাই ভালো হতো।’

আরও পড়ুন : ট্রাম্প ইস্যুতে পশ্চিমা দূতাবাসগুলোকে সতর্ক করলেন জয়

আওয়ামী লীগের স্থানীয় পর্যায়ের নেতা আবদুল কাদের মির্জা। তারচেয়েও বড় কথা তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই। আর একারনেই তার বক্তব্য নিয়ে তোলপাড় হচ্ছে। আওয়ামী লীগের অধিকাংশ সিনিয়র নেতৃবৃন্দ কাদের মির্জার বক্তব্যে ‘বিরক্ত’। তারা মনে করছেন ওবায়দুল কাদেরের ভাই হবার কারণেই তিনি এধরণের লাগামহীন বক্তব্য রাখার সুযোগ পাচ্ছেন। নাম প্রকাশ না করার সর্তে আওয়ামী লীগের একজন কেন্দ্রীয় নেতা বলেছেন ‘এখনই যদি তাকে তিরস্কার এবং ভৎসনা না করা হয়, তাকে যদি কঠোর ভাবে সতর্ক না করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে তৃণমুলের মধ্যে এধরনের লাগামহীন বক্তব্যের প্রকোপ বাড়বে।’

তবে আওয়ামী লীগের কোন কোন নেতা মনে করছেন, সামনে কাদের মির্জার পৌরসভা নির্বাচন। এটা নির্বাচনী কৌশল। তবে, এই দুই নেতার বক্তব্য আওয়ামী লীগের জন্য বিব্রতকর, এটা মানছে প্রায় সব নেতাই।

সূত্র: বাংলা ইনসাইডার

আর/০৮:১৪/৯ জানুয়ারি


Back to top button
🌐 Read in Your Language