ফুটবল

চিলিকে হারিয়ে কোপার শেষ চারে ব্রাজিল

ম্যাচের ৪৮তম মিনিটে দলীয় ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল জেসুস লালকার্ড দেখলে ১০ জনের দল পরিণত হয় স্বাগতিক ব্রাজিল। এরপরও লুকাস পাকুয়েতার দেয়া গোলের লিড ধরে রেখে শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের কষ্টার্জিত জয় নিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল তিতের শিষ্যরা। ফাইনালে উঠার মিশনে তাদের প্রতিপক্ষ পেরু।

চিলি ‘এ’ গ্রুপে চতুর্থ হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেও প্রতিপক্ষ হিসেবে কঠিন দল পায় ব্রাজিল। তাই জয়টা যে সহজ হবে না- সেটা আগে থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল। সেটা প্রতিফলন অবশ্য দেখা গেছে প্রথমার্ধেই। ম্যাচের দশম মিনিটে গোলের প্রথম সুযোগটা পেয়েছিল চিলিই। যদিও ভার্গাসের শট প্রতিহত করে দেন ব্রাজিল গোলরক্ষক এডারসন।

থেমে ছিল না স্বাগতিক দলের আক্রমণভfগও। ১৫ মিনিটের মাথায় সিয়েরালতা বল বাড়িয়ে দেন ইসলার দিকে। রিচার্লিসন বল ধরে প্রতিআক্রমণে উঠে আসেন। লেফট উইং থেকে দূরপাল্লার শট নেন তিনি। যদিও বল সরাসরি চলে যায় চিলির গোলরক্ষক ব্র্যাভোর দস্তানায়। এভাবে আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণে খেলা চলতে থাকলেও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায় কোনো দলই।

তবে দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম মিনিটেই গোল খরা কাটিয়ে উঠে তিতি এন্ড কোং। নেইমারের কাছ থেকে বল পেয়ে চিলির খেলোয়াড়দের দুর্বল চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে সহজেই জাল খুঁজে নেন ফিরমিনোর বদলে খেলতে নামা দলীয় অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার লুকাস পাকুয়েতা।

দুমিনিট পরেই ঘটনা ব্রাজিলের জন্য দুঃসংবাদই ছিল । ইউজেনিও মেনার মুখে লাথি দেয়ার অপরাধে ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল জেসুসকে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেন রেফারি। ফলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় ব্রাজিল।

এই সুযোগটা কাজে লাগায় প্রতিপক্ষ চিলি। সমতায় ফিরতে একের পর এক অতর্কিত আক্রমণ চালিয়ে যায় দলটি। ফলস্বরুপ ৬২তম মিনিটে গোলও পেয়েছিল তারা। কিন্তু সমতায় ফেরার ওই গোলে সাই দিতে পারেননি রেফারি। আগেই অফসাইডের ফ্ল্যাগ তুলে ধরেন লাইন্সম্যন।

শেষ পর্যন্ত আর গোল পায়নি চিলি। ফলে লিড ধরে রেখে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে নেইমার-মার্কুইনিসরা। সেমিফাইনালের যুদ্ধে নিজ গ্রুপের পেরুকে পেয়েছে ব্রাজিল। দিনের আরেক কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে টাইব্রেকারে প্যারাগুয়েকে হারিয়েছে তারা।

সূত্রঃ ঢাকা টাইমস


Back to top button
🌐 Read in Your Language