ঢালিউড

দেশের শাড়ির ঐতিহ্য তুলে ধরবে অনুদানের সিনেমা ‘জামদানী

২০২০-২১ অর্থবছরে ২০টি চলচ্চিত্রকে ১২ কোটি ২০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছে সরকার। অনুদানের জন্য জমা পড়েছিল ২৩৮টি আবেদন। কয়েক মাসের যাচাই-বাছাই শেষে গতকাল মঙ্গলবার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রের তালিকা প্রকাশ করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। অনুদান পাওয়া ২০টি চলচ্চিত্রের মধ্যে আছে জামদানী। ছবিটির প্রযোজক জানে আলম এবং পরিচালক অনিরুদ্ধ রাসেল। ছবিটির সংলাপ ও চিত্রনাট্য লিখেছেন আজাদ আবুল কালাম ও মোস্তফা মনন। ছবিটির গল্প লিখেছেন মোস্তফা মনন। ছবিটির নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।

প্রশ্ন : অনুদানের চলচ্চিত্র জামদানী। গল্প কি নিয়ে?

মোস্তফা মনন : জামদানী আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। আমার চাওয়া হলো, জামদানীর কারুকাজ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া। জামদানী শাড়িতো আছেই, যারা শাড়িতো বিদেশিরা পড়ে না। বিদেশিরা যে পোশাক পরবে, তাতে জামদানী কারুকাজ থাকতে পারে। তাদের নিজস্ব পোশাক আর স্টাইলের সাথে কীভাবে মানানসই ব্যবহার করা যায়, সে চেষ্টা করা। আর এই কারুকাজ শুধু আমরাই সবচেয়ে ভালোভাবে করতে পারি। ফলে বাংলাদেশের একটা নিজস্ব ব্রান্ড চালু হবার সম্ভাবনা থাকবে। আমাদের তাঁতীরা ধনী হবে। আমাদের গার্মেন্টস আছে, ডিজাইনার আছে, প্রয়োজন উদ্যোগ। যথাযথ উদ্যোগ নিলে আমাদের অর্থনীতি এবং মর্যাদা অনেক দূর এগিয়ে যাবে।
প্রশ্ন : জামদানী নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা কীভাবে এলো?
মোস্তফা মনন : ২০০৭/৮ সাল থেকেই এই ভাবনা আমার মধ্যে কাজ করে। বাংলাদেশের ঐতিহ্য কীভাবে বিশ্বব্যাপী পরিচিত করা যায়, তা নিয়ে ভাবতে ভাবতে জামদানীর কথা মাথায় আসে। আমি তাঁতী পল্লীতে বহুদিন গিয়েছি। তাছাড়া মসলিনের ঐতিহ্যের কথা আমরা সকলে জানি। এখন জামদানির উন্নয়নে ভূমিকা রাখলে এই পণ্য এক সময় বিশ্ববাজারে ব্যাপক সুনাম বয়ে আনবে।

প্রশ্ন : সিনেমায় নতুন ধরনের গল্প নিয়ে কাজ কম হয় কেনো?
মোস্তফা মনন : আমাদের দেশে গল্পের কোন অভাব নেই, প্রয়োজন অনুসন্ধান। আমাদের সম্ভাবনাময় অনেক ক্ষেত্র আছে। গৌরবের ঐতিহ্য আর ইতিহাস আছে। এসব নিয়ে আরও গবেষণা করা প্রয়োজন। আরও ভালো ভালো গল্প হওয়া প্রয়োজন। তাহলে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করা সম্ভব। বিদেশি কাহিনী বিদেশিরা দেখবে না, কারণ তারা সেটা ভালো বুঝে। আমাদের গল্প আমরা বলতে পারলে সবাই দেখবে, শুনবে, বুঝবে। গর্বটা সেখানেই।

এম ইউ/১৬ জুন ২০২১


Back to top button
🌐 Read in Your Language