জাতীয়

পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা অনুমোদন, উপকৃত হবেন ৭ কোটি মানুষ

পদ্মা ব্যারাজ

ঢাকা,০২ নভেম্বর-বর্তমান সরকারের মাস্টার প্রকল্প পদ্মা ব্যারাজ জাতীয় জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি বাস্তবায়িত হলে পরিকল্পিতভাবে পানি সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

এর ফলে একদিকে যেমন শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট দূর হবে, অন্যদিকে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা, নদীভাঙন রোধ এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণের নতুন সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে পানি ও মাটির অতিরিক্ত লবণাক্ততা কমিয়ে পরিবেশের ভারসাম্যও বজায় রাখা সম্ভব হবে।

তাই বাংলাদেশের পানি, কৃষি, অর্থনীতি ও খাদ্যনিরাপত্তার ভবিষ্যৎ রক্ষায় এই প্রকল্প অত্যন্ত জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে দেশের অর্থনীতি, কৃষি উৎপাদন, কর্মসংস্থান, পরিবেশ এবং মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।

অন্যদিকে, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দাবি, পদ্মা ব্যারাজ নির্মিত হলে বছরে মাছের উৎপাদন প্রায় আড়াই লাখ টন বাড়বে। সব মিলিয়ে বছরে ৭ হাজার ১২৭ কোটি টাকার অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়া যাবে।

একসময় দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদ-নদীগুলো ছিল প্রাণবন্ত। কিন্তু ১৯৭০-এর দশকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের পর শুষ্ক মৌসুমে পানি সরিয়ে নেওয়ায় বাংলাদেশে পদ্মা নদীর প্রবাহ মারাত্মকভাবে কমে যায়। এর ফলে শুষ্ক মৌসুমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে মরুকরণ শুরু হয়। বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের হিসনা-মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতি, চন্দনা-বারাশিয়া, ইছামতি ও বড়াল নদীগুলো প্রায় মৃতপ্রায় অবস্থায় রয়েছে।

নদীগুলোতে পলি জমার পাশাপাশি লবণাক্ততাও বাড়ছে। অন্যদিকে, বর্ষাকালে পানি বেড়ে গেলে তা ধরে রাখার মতো পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় এসব অঞ্চলের মানুষ বন্যার কবলে পড়েন।

পরিবেশের এই বিরূপ পরিস্থিতির কারণে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা, আবহাওয়া, জলবায়ু, পরিবেশ, অর্থনীতি, সেচ, কৃষি, মাছ উৎপাদন ও নৌ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পুরো জীববৈচিত্র্য। এর প্রভাবে দেশের কয়েক কোটি মানুষ ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী ও খালগুলোতে লবণাক্ততার মাত্রা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। পানিতে লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় শুষ্ক মৌসুমে উপকূলীয় এলাকার মানুষ খাবার পানিও পাচ্ছেন না। কৃষকরা জমিতে সেচ দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পানি না পেয়ে মেশিনের সাহায্যে ভূগর্ভ থেকে পানি তুলে ব্যবহার করছেন। এতে পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে এবং আর্সেনিকের মাত্রা বাড়ছে।

এ ছাড়া শুষ্ক মৌসুমে মৃতপ্রায় নদীগুলোতে মাছের উৎপাদন কমে যাচ্ছে। বেকার হয়ে পড়ছেন অনেক জেলে। নদীতে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় নদীকেন্দ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থাও ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যের ওপরও ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

এরই মধ্যে ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত গঙ্গার (পদ্মা) পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদও আগামী ডিসেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে আশার আলো হয়ে সামনে এসেছে বর্তমান সরকারের প্রথম মেগা প্রকল্প পদ্মা ব্যারাজ।

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের সর্বশেষ অগ্রগতি জানিয়ে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, পদ্মা ব্যারাজ নিয়ে কাজ অনেক আগেই শুরু হয়েছে। পানি ভবনে পদ্মা ব্যারাজ-সংশ্লিষ্ট কাজের জন্য আলাদা একটি অফিসও দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, গত ১১ সেপ্টেম্বর রাজবাড়ীর পাংশার হাবাসপুরে প্রকল্পের স্থান পরিদর্শন করেছেন তারা। এরপর গত ২৫ অক্টোবর পাবনার সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া কাঞ্চনপার্ক এলাকায় প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের এলাকাও পরিদর্শন করেছেন। ব্যারাজের কাজের অগ্রগতি আরও গতিশীল হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যারাজের দৃশ্যমান কাজের উদ্বোধন করবেন।

পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়নের সুবিধা তুলে ধরে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি বাস্তবায়িত হলে দেশের চার বিভাগের ১৯টি জেলার ১২০টি উপজেলার প্রায় ৭ কোটি মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। কৃষি ও অর্থনীতিতে এর ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তিনি আরও বলেন, পানিতে লবণাক্ততার কারণে আগামী ২৫ থেকে ৩০ বছর পর ওই অঞ্চলে মানুষের বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়বে। সেখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে। মাছসহ অন্যান্য প্রাণীও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তবে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ স্বর্ণযুগে প্রবেশ করবেন। একই সঙ্গে কয়েক লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

গত ১৩ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক কমিটির সভায় পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকার ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা অনুমোদন করেছে। এর পুরো অর্থায়ন করা হবে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে।

তবে দ্বিতীয় ধাপে প্রকল্পের ব্যয় আরও বাড়বে। চলতি বছরের জুলাই মাসে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে ২০৩৩ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন জানায়, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ বিএনপি সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, পরিবেশ ও অর্থনীতি রক্ষা এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট দূর করতেই এই ব্যারাজ নির্মাণ করা হচ্ছে। মূলত বর্ষা মৌসুমের পানি ধরে রেখে শুষ্ক মৌসুমে নিয়ন্ত্রিতভাবে সরবরাহ করার জন্যই এটি নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের মূল অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায়। এর আওতায় ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ মূল পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করা হবে। এর সঙ্গে থাকবে ৭৮টি পানিনিষ্কাশন কপাট বা স্পিলওয়ে, ১৮টি তলদেশ নির্গমন পথ বা আন্ডারস্লুইস, দুটি ফিশ পাস, নৌ-লক, গাইড বাঁধ এবং অ্যাপ্রোচ বাঁধ।

এই ব্যারাজে প্রায় ২ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি এখানে ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থাও থাকবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, পদ্মা নদীর বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৪১ কিলোমিটার। প্রতিবছর বিভিন্ন স্থানে নদীভাঙনের কারণে গত দুই দশকে পদ্মা নদীবিধৌত বিভিন্ন এলাকার আনুমানিক ৮ থেকে ১০ হাজার হেক্টরের বেশি কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

পদ্মা নদীর তীরবর্তী জেলাগুলোতে প্রতিবছর গড়ে ১০ থেকে ১৫ হাজার পরিবার সরাসরি নদীভাঙনের ঝুঁকিতে পড়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পের আওতায় নদীর নাব্যতা ধরে রাখতে নিয়মিত ড্রেজিং, তীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণ এবং নদীর প্রবাহ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে নদীভাঙনের হার ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব হতে পারে।

বুয়েটের বন্যা ও পানি ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মাশফিকুস সালেহীন বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে লবণাক্ততার মাত্রা বেশি হওয়ায় খাবার পানির সংকট রয়েছে।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এই পানির সংকটের পাশাপাশি সুন্দরবন ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে লবণাক্ততা আরও বাড়বে। এ ছাড়া পলি জমার কারণে জলাবদ্ধতাও বাড়বে। এ জন্য ওই অঞ্চলগুলোতে মিঠাপানির সর্বোচ্চ সরবরাহ ও প্রবাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে পদ্মা ব্যারাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মাশফিকুস সালেহীন আরও বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদীব্যবস্থা আবার সচল হবে এবং পানি ও মাটির লবণাক্ততা কমবে। নিঃসন্দেহে প্রকল্পটি ওই অঞ্চলের জন্য বড় সম্ভাবনা তৈরি করবে। তবে নির্মাণের সময় নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ, পলি জমা, নদীভাঙন, উজানে নদীর ক্ষয় এবং পরিবেশের ভারসাম্যের বিষয়গুলো খুব সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। সরকার নিশ্চয়ই এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে পদ্মা ব্যারাজের গুরুত্ব তুলে ধরে সাংস্কৃতিক প্রতিমন্ত্রী এবং পদ্মা ব্যারাজ-দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটির সভাপতি আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম বলেন, পদ্মা ব্যারাজ জাতীয় জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফারাক্কা বাঁধের কারণে দেশের এক-তৃতীয়াংশ ভূমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ছাড়া নৌ চলাচল, সুপেয় পানির প্রাপ্যতা এবং সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। কৃষি, অর্থনীতি ও প্রাণিসম্পদসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষ ক্ষতির মুখে পড়ছে। এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পদ্মা ব্যারাজের কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের উদ্যোগ প্রথম নিয়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। এরপর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৪ সালের দিকে আবারও এই উদ্যোগ নেন। কিন্তু তখন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। পরে তারা বিষয়টি সামনে নিয়ে আসেন এবং পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন করেন।

সাংস্কৃতিক প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন এবং সেই অনুযায়ী কাজ এগিয়ে চলছে। আশা করা হচ্ছে, অদূর ভবিষ্যতে পদ্মা ব্যারাজের কাজ দৃশ্যমান হবে। এর ফলে জাতি সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সামগ্রিকভাবে উপকৃত হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বৃহত্তর কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পাবনা ও রাজশাহী অঞ্চলের প্রায় ২৮ লাখ ৮০ হাজার হেক্টর কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত হবে।

চলমান গঙ্গা-কপোতাক্ষ (জি-কে) সেচ প্রকল্প এবং প্রস্তাবিত উত্তর রাজশাহী সেচ প্রকল্পে সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম, মধ্য-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সেচ সুবিধা বাড়ানো হবে।

প্রথম পর্যায়ে খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, যশোর, নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরা; ঢাকা বিভাগের রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ; রাজশাহী বিভাগের পাবনা, রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

হিসনা-মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতি, চন্দনা-বারাশিয়া, বড়াল ও ইছামতীসহ প্রধান নদীগুলোর প্রবাহ ও নাব্যতা ফিরিয়ে আনাও এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট অঞ্চলে লবণাক্ততা কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া সুন্দরবনে মিঠাপানির সরবরাহ নিশ্চিত করা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, যশোরের ভবদহসহ বিভিন্ন এলাকার জলাবদ্ধতা দূর করা, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, ভূগর্ভস্থ পানির পুনঃসঞ্চয়ন এবং আর্সেনিক দূষণ কমানোও এই প্রকল্পের লক্ষ্য।

এস এম/ ০২ নভেম্বর ২০২৬

Back to top button
🌐 Read in Your Language