চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম বন্দরে নিলাম হওয়া পণ্য ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে খালাসের নির্দেশ

চট্টগ্রাম বন্দরে নিলাম হওয়া পণ্য

চট্রগ্রাম, ২০ সেপ্টেম্বর- চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ড, শেড ও সংরক্ষণস্থলে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা নিলাম হওয়া ও নিলামযোগ্য পণ্য দ্রুত খালাসের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় আদেশ পাওয়ার পরও যেসব পণ্য খালাস করা হয়নি, সেগুলো বিজ্ঞপ্তিখালাস করা, নিলাম হওয়া ও নিলামযোগ্য পণ্যচালান পড়ে রয়েছে। বিশেষ করে কনটেইনারে থাকা এসব পণ্য দীর্ঘদিন পড়ে থাক প্রকাশের তারিখ থেকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে খালাস নিতে সংশ্লিষ্ট বিডারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের নিলাম বিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ড, শেড ও সংরক্ষণস্থলে দীর্ঘদিন ধরে বিপুল পরিমাণ অখালাস করা, নিলাম হওয়া ও নিলামযোগ্য পণ্যচালান পড়ে রয়েছে। বিশেষ করে কনটেইনারে থাকা এসব পণ্য দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় বন্দরের ধারণক্ষমতা ও স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় আদেশ জারি হওয়ার পরও খালাস না নেওয়া পণ্যচালানের সংশ্লিষ্ট বিডারদের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ থেকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত দরমূল্য, উৎসে আয়কর, উৎসে মূসকসহ অন্যান্য আইনগত ও আর্থিক দায় পরিশোধ করে পণ্য খালাস নিতে বলা হয়েছে।

একই সঙ্গে কোনো আমদানিকারক, রপ্তানিকারক, শিপিং লাইন বা এজেন্ট, কাস্টডিয়ান কিংবা অন্য কোনো স্বার্থসংশ্লিষ্ট পক্ষের এসব পণ্যচালানের বিষয়ে বৈধ দাবি, স্বত্ব বা আপত্তি থাকলে তা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ থেকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় দলিল ও সত্যায়িত প্রমাণসহ কাস্টমস হাউসের নিলাম বিভাগে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য খালাস না নেওয়া হলে এবং কোনো বৈধ দাবি, আপত্তি বা আইনগত বাধা উপস্থাপন করা না হলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী পুনঃনিলাম, ধ্বংস বা অন্য কোনো আইনানুগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য খালাসে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট বিডারের বিক্রয় অনুমোদন বাতিল, দাখিল করা জামানত বা পে-অর্ডার রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত এবং সংশ্লিষ্ট পণ্য পুনঃনিলামসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা নিলাম হওয়া ও নিলামযোগ্য পণ্যের দ্রুত নিষ্পত্তি, পণ্যজট কমানো, রাজস্ব আহরণ বাড়ানো এবং বন্দরের ধারণক্ষমতার সর্বোত্তম ব্যবহারের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এস এম/ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

Back to top button
🌐 Read in Your Language