যুক্তরাষ্ট্রের চালের শীর্ষ ১০ ক্রেতার তালিকায় বাংলাদেশ

ঢাকা, ২৭ আগস্ট – বিশ্বে চাল উৎপাদনে ভারত ও চীনের পরেই বাংলাদেশের অবস্থান। তৃতীয় বৃহত্তম উৎপাদনকারী দেশ হওয়া সত্ত্বেও অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে বাংলাদেশকে প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চাল আমদানি করতে হয়। ভৌগোলিক নৈকট্য ও দামের সুবিধায় দীর্ঘকাল ধরে ভারতই ছিল বাংলাদেশের চাল আমদানির প্রধান উৎস।
তবে ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে চাল আমদানির ক্ষেত্রে এক অভাবনীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। গত বছরের তুলনায় এই দেশ থেকে চাল আমদানির ব্যয় বেড়েছে প্রায় ১ হাজার ৩৬৫ গুণ। এই বিপুল প্রবৃদ্ধির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের চালের শীর্ষ দশ ক্রেতা দেশের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশ।
যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের ২০২৫ সালের চাল রপ্তানি প্রতিবেদন অনুযায়ী, তালিকার শীর্ষে রয়েছে জাপান। পরবর্তী অবস্থানগুলোতে রয়েছে হাইতি, মেক্সিকো, কানাডা, ইরাক, সৌদি আরব, দক্ষিণ কোরিয়া, হন্ডুরাস ও তাইওয়ান। এই শক্তিশালী তালিকায় দশম অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।
ইউএসডিএর তথ্যমতে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে মোট ৪৭ হাজার ৫৫০ টন চাল আমদানি করেছে। এই আমদানির আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার ডলারে। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৪৩৬ কোটি টাকা।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ সর্বমোট ১২ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫০ টন চাল আমদানি করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, উক্ত অর্থবছরে চাল আমদানিতে মোট ব্যয় হয়েছে ৫২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। যদিও মোট আমদানির তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের অংশটি খুব বড় নয়, তবে দেশটি থেকে আমদানির প্রবৃদ্ধির হার ৯৩৩ গুণ বৃদ্ধি পাওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
এস এম/ ২৭ আগস্ট ২০২৬









