ডিএনএ পরীক্ষায় ভাগ্যবদল: বিক্রয়কর্মী থেকে বেলজিয়ামের রাজপুত্র

ব্রাসেল্স, ২৩ আগস্ট – কিছুদিন আগেও তিনি ছিলেন একজন সাধারণ গাড়ির বিক্রয়কর্মী। কিন্তু একটি ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল ২৬ বছর বয়সী ক্লেমেন্ট ভ্যানডেনকার্কহোভের জীবন পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। এখন তার নতুন পরিচয় তিনি বেলজিয়ামের রাজা ফিলিপের ছোট ভাই প্রিন্স লরেন্টের ছেলে।
প্রায় ছয় মাস আগে একটি সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ক্লেমেন্টের পিতৃত্বের আইনি স্বীকৃতি সম্পন্ন হয়েছে। তবে রাজপরিবারের সদস্য হলেও তিনি সরকারি কোনো ভাতা পাবেন না এবং রাজসিংহাসনের দাবিদারও হতে পারবেন না।
২০০০ সালের আগস্ট মাসে ক্লেমেন্টের জন্ম হয়। তার মা বেলজিয়ান সংগীতশিল্পী ওয়েন্ডি ভ্যান ওয়ান্টেন। নব্বইয়ের দশকে প্যারিসে একটি ফ্যাশন শো চলাকালে প্রিন্স লরেন্টের সঙ্গে তার পরিচয় ও সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ক্লেমেন্ট ১৬ বছর বয়সে তার বাবার প্রকৃত পরিচয় জানতে পারেন এবং পরবর্তীতে লরেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
বেলজিয়ামের টেলিভিশন চ্যানেল ভিটিএমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্লেমেন্ট জানান যে তারা একসঙ্গেই হাসপাতালে গিয়ে ডিএনএ পরীক্ষা করিয়েছিলেন। এই পরীক্ষার ফলাফলে পিতৃত্বের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি হয়। যদিও তিনি সরকারি সুযোগ সুবিধা পাবেন না তবে প্রিন্স লরেন্টের ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে অন্য সন্তানদের মতোই তার সমান অধিকার থাকবে। ক্লেমেন্ট তার মায়ের দেওয়া পদবিই ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
উল্লেখ্য যে বেলজিয়ামের রাজপরিবারে এমন ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগে সাবেক রাজা দ্বিতীয় আলবার্টও দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ডেলফিন বোয়েলকে নিজের সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন।
এনএন/ ২৩ আগস্ট ২০২৬









