প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে যা জানাল দিল্লি

নয়া দিল্লি, ২১ আগস্ট – বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে মন্তব্য করার মতো নির্দিষ্ট কোনো তথ্য আপাতত নেই বলে জানিয়েছে দিল্লির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
শুক্রবার দিল্লিতে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, নয়া দিল্লির পক্ষ থেকে এই সফর নিয়ে এখন পর্যন্ত নতুন কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয়ে পরবর্তী কোনো হালনাগাদ তথ্য পাওয়া গেলে তা যথাসময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, এই সফরের বিষয়ে এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। গত ফেব্রুয়ারি মাসে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে এই সফরের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা চলছে। ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে ঢাকা ও দিল্লির মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের টানাপোড়েন নিরসনে উভয় পক্ষ নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছে।
প্রেস সচিব আরও জানান, শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য পলাতক ব্যক্তিদের হস্তান্তরের বিষয়ে ভারতের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা। সম্প্রতি শেখ হাসিনা দিল্লিতে বসে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার। ঢাকা মনে করে, ফলপ্রসূ সফরের জন্য আরও অনুকূল কূটনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
সংবাদ সম্মেলনে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতির ওপর ভারতের সতর্ক নজরদারির কথা উল্লেখ করেন রণধীর জয়সওয়াল। সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সমন্বয়ে গঠিত সামরিক জোটে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার গুঞ্জন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভারত এই অঞ্চলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে তবে এ বিষয়ে এখনই মন্তব্য করার কিছু নেই।
এ ছাড়া গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত ৩০ বছর মেয়াদি এই চুক্তির আওতায় নিয়মিত কারিগরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভারত ও বাংলাদেশের নদী সংশ্লিষ্ট সকল অমীমাংসিত বিষয় যৌথ নদী কমিশনের আওতায় আলোচনা করা হবে বলে তিনি জানান।
এনএন/ ২১ আগস্ট ২০২৬









