চীনা পলিসিলিকন আমদানিতে ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

ওয়াশিংটন, ৭ আগস্ট – বিশ্বজুড়ে সেমিকন্ডাক্টর ও সৌর প্যানেল শিল্পে চীনের ক্রমবর্ধমান আধিপত্য মোকাবিলায় নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে জাতীয় নিরাপত্তার ওপর পরিচালিত এক বিশেষ তদন্তের ওপর ভিত্তি করে এই নির্বাহী আদেশ জারি করেছে মার্কিন প্রশাসন।
পলিসিলিকন ও সংশ্লিষ্ট আমদানিকৃত পণ্যের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের পাশাপাশি এসব পণ্যের জন্য সর্বনিম্ন আমদানি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ওয়াশিংটন জানিয়েছে যে আগামী ডিসেম্বর মাস থেকে নতুন এই শুল্ক কার্যকর হবে। চিপ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের লড়াই যখন তুঙ্গে ঠিক সেই সময় এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
এর পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ পলিসিলিকন উৎপাদন বাড়াতে মার্কিন প্রস্তুতকারকদের নানা প্রণোদনা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিযোগ অনুযায়ী গত কয়েক দশকে বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর আগ্রাসী নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব পলিসিলিকন শিল্প চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
সামরিক সরঞ্জাম ও ইলেকট্রনিক্স খাতের অত্যন্ত জরুরি এই কাঁচামাল উৎপাদনে ওয়াশিংটনের বাজার অংশীদারিত্ব ২০০৫ সালের ৫০ শতাংশ থেকে আশঙ্কাজনকভাবে কমে ২০২৪ সালে এসে দাঁড়িয়েছে দুই শতাংশেরও নিচে। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে পলিসিলিকন উৎপাদনের বড় একটি অংশ চীনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
নতুন এই নীতির ফলে হ্যামলক সেমিকন্ডাক্টর ও ওয়াকার কেমির মতো মার্কিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো লাভবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ওয়াশিংটনস্থ চীনা দূতাবাস। এক বিবৃতিতে বেইজিং একে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বিঘ্ন সৃষ্টি হিসেবে অভিহিত করেছে। একই সঙ্গে নিজেদের প্রযুক্তি বাণিজ্য রক্ষায় পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে চীন।
এস এম/ ৭ আগস্ট ২০২৬









