১০০ বছরের পুরোনো বাড়ির দেয়ালে লুকানো গুপ্তধন পেলেন ব্রিটিশ দম্পতি

লন্ডন, ৩১ জুলাই – যুক্তরাজ্যের শেফিল্ড শহরের এক দম্পতি তাদের শতবর্ষী বাড়ির সংস্কার কাজ করার সময় বিস্ময়কর এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। বাড়ির একটি গোপন দেয়াল ভেঙে তারা খুঁজে পেয়েছেন বহু বছর আগে লুকিয়ে রাখা কয়েক হাজার ব্রিটিশ পাউন্ডের নোট।
ড্যান ও লুইসা দম্পতির এই রোমাঞ্চকর আবিষ্কারের ঘটনাটি বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ২০২০ সালে করোনা মহামারির লকডাউন চলাকালীন লুইসা ও ড্যান তাদের প্রায় ১০০ বছরের পুরোনো বাড়ির বেজমেন্ট পরিষ্কার করার উদ্যোগ নেন।
পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের এক পর্যায়ে সিঁড়ির নিচে ইটের তৈরি একটি বন্ধ দেয়াল তাদের নজরে আসে। দেয়ালটি দেখে তাদের মনে কৌতূহল জাগে এবং তারা সেটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন। দেয়ালটি ভাঙার পর ভেতরে স্তূপ করা প্রচুর কয়লা দেখতে পান ড্যান।
সব কয়লা সরানোর পর একেবারে নিচের দিকে তিনি একটি ধাতব কৌটা খুঁজে পান। কৌটাটি থেকে তীব্র ও ঝাঁজালো অ্যামোনিয়ার গন্ধ বের হওয়ায় শুরুতে তারা সেটি খুলতে ভয় পাচ্ছিলেন। প্রায় কয়েক মাস পর তারা কৌটাটি খোলার সাহসী সিদ্ধান্ত নেন।
মরিচা ধরা সেই কৌটাটি খোলার পর তারা দেখতে পান যে ভেতরে কাগজের মোড়কে মোড়ানো অবস্থায় প্রচুর ব্যাংক নোট রাখা আছে। এগুলো ছিল ১৯৭০-এর দশকের পাঁচ পাউন্ডের নোটের বান্ডিল। হিসাব করে দেখা যায় সেখানে এক হাজার পাউন্ডের বেশি অর্থ রয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় দেড় লাখ টাকা।
সেই সময় লুইসা বেকার থাকায় এই অপ্রত্যাশিত অর্থ তাদের সংসারের জন্য বড় এক স্বস্তি হয়ে আসে। ভেজা নোটগুলো শুকিয়ে তারা ব্যাংকে জমা দেন এবং প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে পরিবারের বকেয়া বিল পরিশোধ করেন।
লুইসা ও ড্যানের এই অভিজ্ঞতার ভিডিওটি টিকটকে শেয়ার করার পর তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। পুরোনো বাড়ির দেয়াল থেকে এমন মূল্যবান সম্পদ খুঁজে পাওয়ার ঘটনায় নেটদুনিয়ায় অনেক মানুষ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
এস এম/ ৩১ জুলাই ২০২৬









