জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের ‘শান্তির সংস্কৃতি’ প্রস্তাব গৃহীত

ঢাকা, ২৫ জুলাই – সংলাপ, সহনশীলতা, সংহতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রতি বিশ্বব্যাপী অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি (Culture of Peace) বিষয়ক ঘোষণা ও কর্মসূচির বাস্তবায়নের অগ্রগতি’ শীর্ষক প্রস্তাবটি গৃহীত হয়েছে।
শুক্রবার সাধারণ পরিষদের এক বৈঠকে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবটি পাস হয়।
প্রস্তাবটি উপস্থাপন করার সময় জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহনশীল সমাজ গঠনের জন্য নিরন্তর সংলাপ, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকা জরুরি। তিনি জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকার বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রদূত চৌধুরী এই প্রস্তাবের পক্ষে গঠনমূলক সম্পৃক্ততা ও ব্যাপক সমর্থনের জন্য সদস্য দেশগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বিভাজনের পরিবর্তে সংলাপ, সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতা এবং অসহিষ্ণুতার পরিবর্তে পারস্পরিক গভীর বোঝাপড়াকে এগিয়ে নিতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা জোরদার করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য যে, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো এই প্রস্তাবটি গৃহীত হয়েছিল। গত প্রায় আড়াই দশক ধরে জাতিসংঘে শান্তির সংস্কৃতি বিষয়ক এজেন্ডা এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এটি প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। এই প্রস্তাবটি বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও অহিংসার মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার পাশাপাশি সংঘাত প্রতিরোধ এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে।
এনএন/ ২৫ জুলাই ২০২৬









