ফুটবল

আর্জেন্টিনা মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসের লাল কার্ড বাতিল করল ফিফা

বুয়েনোস আইরেস, ২১ জুলাই – বিশ্বকাপ ফাইনালের নির্ধারিত সময়ে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনার হারের পর মাঠে অনাকাঙ্ক্ষিত উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরাজিত আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মধ্যে পরাজয়ের ক্ষোভ থেকে এক পর্যায়ে স্প্যানিশ ফুটবলারদের সঙ্গে হাতাহাতি শুরু হয়। ঘটনার এক পর্যায়ে দেখা যায় আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস স্পেনের ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরে মাটিতে ফেলে দেন।

টেলিভিশনের ফুটেজে দুই দলের খেলোয়াড়, বদলি খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফদেরও এই হট্টগোলে লিপ্ত হতে দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি মাঠে ছুটে আসলেও অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে কিছুটা দূরে নীরব থাকতে দেখা গেছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার নাহুয়েল মলিনা এবং স্প্যানিশ অধিনায়ক রদ্রির মধ্যে বাদানুবাদ থেকে এই ঘটনার সূত্রপাত হয়। রদ্রিকে চড় মারার অভিযোগ ওঠে মলিনার বিরুদ্ধে।

ম্যাচ পরবর্তী সময়ে ফিফার তথ্য ব্যবস্থায় পারেদেসকে লাল কার্ড দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হলেও পরবর্তীতে ফিফা তা বাতিল করে দেয়।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, রেফারির তথ্য ব্যবস্থায় ভুলবশত পারেদেসকে লাল কার্ড দেওয়া হয়েছে বলে দেখানো হয়েছিল। ফিফা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, উক্ত ঘটনার জন্য কোনো আনুষ্ঠানিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এবং পারেদেসের লাল কার্ডের রেকর্ড মুছে ফেলা হয়েছে। তবে ম্যাচ চলাকালীন সময়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল এনজো ফার্নান্দেজকে।

স্কাই স্পোর্টসের তথ্যমতে, ম্যাচ পরবর্তী এই অরাজক পরিস্থিতির কারণ অনুসন্ধানে ফিফা একটি আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে। ভিডিও ফুটেজ এবং রেফারির রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।

উল্লেখ্য যে, এর আগেও যুক্তরাষ্ট্রের খেলোয়াড় ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড বাতিলের ঘটনা বিশ্ব ফুটবলে আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে পারেদেসের কার্ড বাতিলের বিষয়টি মূলত একটি প্রযুক্তিগত ভুলের সংশোধন হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

এনএন/ ২১ জুলাই ২০২৬


Back to top button