দুই বছরে দেশে ৪৫৭টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, কর্মসংস্থান হারিয়েছেন হাজারো শ্রমিক

গাজীপুর, ২৮ জুন – কার্যাদেশের অভাব, আর্থিক সংকট, শ্রম অসন্তোষ এবং দীর্ঘস্থায়ী জ্বালানি সংকটের কারণে গত দুই বছরে দেশের ৪৫৭টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে কর্মসংস্থান হারিয়েছেন হাজার হাজার শ্রমিক।
শিল্পসংশ্লিষ্টদের মতে,
বৈশ্বিক চাহিদা হ্রাস এবং অভ্যন্তরীণ নানা সমস্যা শিল্প খাতকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী,
বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর মধ্যে ৩৯৮টি গাজীপুর, আশুলিয়া ও চট্টগ্রামের শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত। সম্প্রতি গাজীপুরের ইউনিক ডিজাইনার্স লিমিটেড এবং ইউনিক ওয়াশিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেড স্থায়ীভাবে বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।
এর ফলে প্রায় ১ হাজার ৮০০ শ্রমিক কাজ হারিয়েছেন। বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২৮৭টি তৈরি পোশাক খাতের বাইরের। বাকিগুলোর মধ্যে বিজিএমইএ সদস্য ১০৮টি, বিকেএমইএ সদস্য ৩৫টি, বিটিএমএ সদস্য ৮টি এবং বেপজার আওতাধীন ১৯টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জানান,
অদক্ষতা এবং কার্যাদেশ কমে যাওয়ার কারণে অনেক কারখানা টিকে থাকতে পারছে না। এদিকে বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালুর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করলেও জামানতসংক্রান্ত কঠোর শর্তের কারণে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা তা গ্রহণ করতে পারছেন না।
বিজিএমইএ সহসভাপতি শিহাব উদদোজা চৌধুরী জানান,
প্রায় ২০০টি বন্ধ কারখানা সরকারি সহায়তা নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং তারা ঋণের শর্ত শিথিলের দাবি জানিয়েছেন। বিজিএমইএ জানিয়েছে, আগ্রহী কারখানাগুলো পরিদর্শনে দুটি নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করা হবে এবং তাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ করা হবে।
এস এম/ ২৮ জুন ২০২৬









