ইসরায়েল না থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের অস্তিত্ব থাকত না: মাইক হাকাবির দাবি

ওয়াশিংটন, ১৭ জুন – ইসরায়েলের অস্তিত্ব এবং এতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং দেশটিতে নিযুক্ত হবু মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবির মধ্যে তীব্র মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে।
ট্রাম্প যেখানে দাবি করেছেন যে আমেরিকার সহযোগিতা ছাড়া ইসরায়েলের টিকে থাকা সম্ভব ছিল না সেখানে হাকাবি পাল্টা দাবি করেছেন যে ইসরায়েল না থাকলে স্বয়ং যুক্তরাষ্ট্রের অস্তিত্বই থাকত না। সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী হাকাবি তার বক্তব্যে ট্রাম্পের অবস্থানের বিপরীতে গিয়ে বলেন যে ইহুদি ভিত্তি ছাড়া আমেরিকার অস্তিত্ব কল্পনা করা অসম্ভব।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে আমেরিকার ইতিহাস ও জাতীয় অস্তিত্বের মূলে এই ভূখণ্ডের একটি অবিচ্ছেদ্য অবদান রয়েছে। হাকাবির এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কঠোর সমালোচনা করছেন।
সম্প্রতি জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন যে যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশেষ করে তার নিজের বলিষ্ঠ ভূমিকা ছাড়া ইসরায়েলের কোনো অস্তিত্ব থাকত না। তিনি মনে করেন তার মতো করে ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষায় অন্য কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট এতটা সক্রিয় ছিলেন না।
অন্যদিকে ট্রাম্প বর্তমানে তেহরানের সাথে একটি দীর্ঘমেয়াদী সমঝোতার চেষ্টা চালাচ্ছেন। এই প্রক্রিয়ার মধ্যেই তিনি নেতানিয়াহুর যুদ্ধকালীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং তার কিছু পদক্ষেপকে পাগলামি হিসেবে অভিহিত করেছেন।
লেবাননে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের সমালোচনা করে ট্রাম্প সতর্ক করেন যে আবাসিক ভবন ধ্বংসের এই প্রক্রিয়া ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার আলোচনাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
উল্লেখ্য যে ২০২৫ সালের এপ্রিলে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পেতে যাওয়া মাইক হাকাবি একজন সাবেক গভর্নর ও ব্যাপটিস্ট ধর্মযাজক। ইসরায়েলের স্বার্থকে আমেরিকার স্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়ার কারণে তিনি বিভিন্ন মহলে সমালোচিত।
এস এম/ ১৭ জুন ২০২৬









