জাতীয়

বিদেশি ঋণের অর্থ ছাড় ও প্রতিশ্রুতিতে বড় পতন

ঢাকা, ২৪ মে – দেশে উন্নয়ন প্রকল্পের ধীরগতির প্রভাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে বিদেশি ঋণের অর্থ ছাড়ে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা দিয়েছে। জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে উন্নয়ন সহযোগীদের পক্ষ থেকে অর্থ ছাড়ের পরিমাণ গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ শতাংশ কমেছে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের বা ইআরডির প্রকাশিত সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এই চিত্র পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী আলোচ্য সময়ে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও দেশগুলো থেকে ৪২৩ কোটি ৬২ লাখ ডলারের ঋণ ও অনুদান পাওয়া গেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই ছাড়ের পরিমাণ ছিল ৫১৬ কোটি ৩৪ লাখ ডলার।

২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও পরবর্তীতে অর্থনীতিতে বিরাজমান অস্থিরতার কারণে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কাঙ্ক্ষিত গতি আসেনি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর প্রভাবে বিদেশি ঋণের অর্থ ছাড়ের গতিও শ্লথ হয়ে পড়েছে।

একই সময়ে বিদেশি ঋণের প্রতিশ্রুতি পাওয়ার ক্ষেত্রেও বড় পতন লক্ষ করা গেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে ২৮০ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি মিলেছে যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৪২৫ কোটি ডলার। অর্থাৎ ঋণের প্রতিশ্রুতি কমেছে প্রায় ৩৪ শতাংশ।

অন্যদিকে বিদেশি ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধের চাপ আরও বেড়েছে। এই ১০ মাসে সরকারকে পুরনো ঋণের আসল ও সুদ বাবদ ৩৮০ কোটি ২৩ লাখ ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৩৫০ কোটি ৭১ লাখ ডলার। বিশেষ করে এপ্রিল মাসে নতুন কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি না আসায় সার্বিক বৈদেশিক অর্থায়নে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

এনএন/ ২৪ মে ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language