মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

ঢাকা, ২০ এপ্রিল – আগামী মঙ্গলবার ২১ এপ্রিল থেকে দেশজুড়ে একযোগে শুরু হতে যাচ্ছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। এ বছর মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী এই শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ স্তরে অংশগ্রহণ করছে।
ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রথম দিনে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে এই পরীক্ষা শুরু হবে এবং লিখিত পরীক্ষা চলবে আগামী ২০ মে পর্যন্ত। লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
চলতি বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪ লাখ ১৮ হাজারের বেশি। এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৩ লাখের বেশি দাখিল পরীক্ষার্থী এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অংশ নিচ্ছে ১ লাখ ৩৪ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। সারাদেশে মোট ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষার আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিগত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৭১ হাজার ৬২৬ জন কমেছে। এবারের মোট পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রীর সংখ্যা ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।
পরীক্ষার কাঠামো অনুযায়ী প্রতিটি বিষয়ে প্রথমে বহুনির্বাচনী বা এমসিকিউ এবং পরে সৃজনশীল অংশের পরীক্ষা নেওয়া হবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়টি বাদে সকল ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এই দুই অংশের মাঝে কোনো বিরতি থাকবে না। বহুনির্বাচনী অংশের জন্য নির্ধারিত সময় ৩০ মিনিট এবং সৃজনশীল অংশের জন্য সময় থাকবে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।
শিক্ষা বোর্ড থেকে জানানো হয়েছে যে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। কেন্দ্রে প্রবেশের সময় প্রবেশপত্র অবশ্যই সঙ্গে রাখতে হবে। পরীক্ষা চলাকালে মোবাইল ফোন ব্যবহার বা সঙ্গে রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং বিষয় কোড নির্ভুলভাবে পূরণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সাধারণ নন প্রোগ্রামেবল সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহারের অনুমতি থাকলেও নিবন্ধনপত্রে উল্লেখ নেই এমন কোনো বিষয়ে পরীক্ষায় বসা যাবে না। উল্লেখ্য যে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে বহুনির্বাচনী, সৃজনশীল এবং ব্যবহারিক এই তিন অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। কোনো একটি অংশে অকৃতকার্য হলে ওই বিষয়ে শিক্ষার্থীকে অনুত্তীর্ণ হিসেবে গণ্য করা হবে।
এনএন/ ২০ এপ্রিল ২০২৬









