কলোরেক্টাল ক্যান্সার: প্রতিরোধে সচেতনতা ও সঠিক চিকিৎসার গুরুত্ব

ঢাকা, ১৮ এপ্রিল – বিশ্বজুড়ে ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ কলোরেক্টাল ক্যান্সার। বাংলাদেশেও এই রোগের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। তবে আশার কথা হলো, সঠিক সময়ে সচেতনতা এবং চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগটি নিরাময় করা সম্ভব। কোলন ও রেক্টাল ক্যান্সারকে একত্রে কলোরেক্টাল ক্যান্সার বলা হয়। মলত্যাগের অভ্যাসের পরিবর্তন, রক্তক্ষরণ, তলপেটে অস্বস্তি এবং দ্রুত ওজন কমে যাওয়া এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাদ্যাভ্যাসে অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবারের আধিক্য এবং আঁশযুক্ত খাবারের অভাব এই ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া জেনেটিক কারণ, বয়স এবং অলস জীবনযাপনও কলোরেক্টাল ক্যান্সারের পেছনে ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে ৫০ বছর বয়সীদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। চিকিৎসকদের মতে, চল্লিশোর্ধ্ব ব্যক্তিদের নিয়মিত স্ক্রিনিং করানো অত্যন্ত জরুরি।
আর্লি স্টেজে ধরা পড়লে সার্জারি, কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির মাধ্যমে রোগীকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম এবং তামাক বর্জনের মাধ্যমে এই প্রাণঘাতী রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য হারে কমানো যায়। উন্নত চিকিৎসার সুবাদে বর্তমানে এই ক্যান্সারে মৃত্যুর হার আগের চেয়ে অনেক কমেছে।
এস এম/ ১৮ এপ্রিল ২০২৬









