দক্ষিণ এশিয়া

যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেছে ভারত, দাবি পাকিস্তানের

ইসলামাবাদ, ১২ মে – পাকিস্তান সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব তারা নয়, ভারতই দিয়েছে। সোমবার (১২ মে) দেশটির আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক (ডিজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় নয়াদিল্লি এ অনুরোধ জানায়।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, ভারত–পাকিস্তানের সাম্প্রতিক সংঘাত নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে পাকিস্তান আইএসপিআর। সেখানে লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী বলেন, ‘পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়লে বা এর আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘিত হলে, তার প্রতিক্রিয়া হবে ব্যাপক। এ নিয়ে কারও কোনো সন্দেহ থাকা উচিত নয়।’

সম্প্রতি ভারতের বিরুদ্ধে পরিচালিত ‘বুনিয়ান-উন-মারসুস’ অভিযানের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ভারতের ১৬টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। ভারত এসব স্থাপনা থেকে পাকিস্তানের নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছিল এবং সন্ত্রাসবাদ উসকে দিচ্ছিল।’

ডিজি আইএসপিআর আরও জানান, লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে সুরাটগড়, সিরসা, আদমপুর, ভুজ, নালিয়া, বাথিন্দা, বার্নালা, হারওয়ারা, অবন্তিপুরা, শ্রীনগর, জম্মু, মামুন, আম্বালা, উধমপুর এবং পাঠানকোটে অবস্থিত বিমান বাহিনী ও বিমান ঘাঁটি অন্তর্ভুক্ত ছিল—যেগুলোর সবগুলোতেই বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া ভারতের ব্রহ্মোস স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। কারণ এই স্থাপনা থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে পাকিস্তানের নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে ভারত।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী বলেন, এটি এমন এক সংঘাত ছিল, যা ১.৬ বিলিয়ন মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করতে পারত। পাকিস্তান দায়িত্বশীলতা ও পরিপক্বতার সঙ্গে কাজ করেছে।

ডিজি আইএসপিআর বলেন, যারা যুদ্ধ চায়, তারা কেবল নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্যই তা করে। শান্তি দুই দেশের জন্যই মঙ্গলজনক। যুদ্ধের পেছনে যারা আছে, তাদের লক্ষ্য সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থ।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
এনএন/ ১২ মে ২০২৫


Back to top button
🌐 Read in Your Language