কক্সবাজার

অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন টেকনাফগামী জাহাজের ২ শতাধিক যাত্রী

কক্সবাজার, ১৫ ফেব্রুয়ারি – অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন রুটে চলাচলকারী পর্যটকবাহী দুটি জাহাজ। মঙ্গলবার (১৪ফ্রেবুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে সেন্ট মার্টিন থেকে ফেরার পথে এমভি পারিজাত ও সুকান্ত নামক দুইটি জাহাজ উত্তাল সমুদ্রের ঢেউয়ে দুল খেয়ে ডুবতে যাচ্ছিল। তবে নাবিকের দক্ষতায় রক্ষা পায় জাহাজ দুইটি। দুটি জাহাজে দুই শতাধিক পর্যটক ছিলেন।

এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিও ভাইরাল হাওয়ার পর থেকে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।

ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, সমুদ্রের মাঝে বাতাসের তীব্র গতি ও সাগরে ঢেউয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে জাহাজ দুটি। সুকান্ত বাবু নামে জাহাজটি একবার পানির ভেতর যায় আবার বেরিয়ে আসে। জাহাজ দুটি দুলতে থাকায় জাহাজে থাকা পর্যটকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
ওই সময় পারিজাত জাহাজে থাকা খোরশেদ নামে এক পর্যটক বলেন, নতুন করে জীবন ফিরে পেলাম। মনে করেছিলাম প্রায় ডুবে যাব। কিন্তু অভিজ্ঞ নাবিকের কারণে আমরা উল্টে যাওয়া থেকে রক্ষা পাই।

রাহাত নামে আরেক পর্যটক বলেন, প্রায় ডুবতে বসেছিল সুকান্ত বাবু নামের জাহাজটি। আল্লাহ রক্ষা করেছে। আর জীবনেও সেন্ট মার্টিন যাব না। এ ঘটনায় সর্বত্র আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘হঠাৎ প্রচন্ড বাতাস হওয়ার কারণে প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন থেকে ফেরার পথে সাগরে পর্যটকবাহী জাহজগুলো দুলছিল। প্রতিদিনের সার্বিক পরিস্থিতি তদারকি করতে কাল থেকে মাঠে আমাদের একটি টিম থাকবে।’

টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে চলাচলকারী জাহাজ মালিকদের সংগঠন সী ক্রুজ অপারেটর এসোসিয়েশন বাংলাদেশ (স্কোয়াব) সভাপতি তোফায়েল আহমদ জানান, সেন্টমার্টিন যাওয়ার সময় সকালে বাতাসের কোন পূর্বাভাস না থাকায় সব জাহাজ পর্যটকদের নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে টেকনাফ থেকে ছেড়ে যায়। তবে সকালে হালকা বাতাস অথবা দিনের কোন সময়ে বাতাসের পূর্বাভাস থাকলেও প্রয়োজনে জাহাজগুলো না ছাড়তে সিদ্ধান্ত নিতাম। কিন্তু আসার পথে হঠাৎ বাতাস শুরু হওয়ায় সাগরে বড় ঢেউতে জাহাজগুলো অনেকটা হেলেদুলে সাগর পাড়ি দিয়েছে এটা সত্য। তবে এক্ষেত্রে আমাদের সতর্কতা সবসময় রয়েছে।

সূত্র: বিডি প্রতিদিন
আইএ/ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩


Back to top button
🌐 Read in Your Language