শিক্ষা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত নিয়ে যে সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা, ০৮ আগস্ট – এমপিওভুক্তি নীতিমালার সংশোধনের কাজ শেষ হয়েছে। সংশোধিত নীতিমালার আলোকে চলতি বছর নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে আহ্বান করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

শনিবার শিক্ষা-বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশের (ইরাব) ‘কলম’ গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এসব কথা বলেন।

দীপু মনি বলেন, শুধু এবছর থেকে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্ত করা হবে না। দুর্নীতিরোধে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও ডিজিটালইজ করা হবে।

ইরাবের সভাপতি ও দৈনিক সমকালের বিশষ প্রতিনিধি সাব্বির নেওয়াজের সভাপতিত্বে ও ইরাবের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল আলম সুমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব আমিনুল ইসলাম, গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী, সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি, বিশিষ্ট সাংবাবদিক শফিফুজ্জামান পিন্টু, স্বাধীনতা শিক্ষক সমিতির নেতা শাজাহান সাজু, ইরাবের যুগ্ম সম্পাদক ও ম্যাগাজিনের সদস্য সচিব মীর মোহাম্মদ জসিম প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, শিক্ষা সেক্টরে এমন কোন বাণিজ্য নেই যেটার কবলে আমরা পড়িনি। করোনায় শিক্ষা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ক্ষতি পোষাতে প্রণোদনা প্রয়োজন আছে। কারণ শিক্ষার সক্ষমতা বাড়াতে বিনিয়োগের বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, আমাদের ইন্টারনেটের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। কারণ সম্প্রতি ইন্টারনেটে সক্ষমতা নিয়ে যে রিপোর্ট এসেছে সেখানে বাংলাদেশ ১৩৭ টি দেশের মধ্যে ১৩৫তম।

তিনি আরো বলেন, ভ্যাক্সিনেশন কার্যক্রমে সকল শিক্ষকদেরকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। কারণ এখানে নগরায়নের শিক্ষকরা সুবিধা বেশি পাচ্ছেন। শিক্ষা আইন বাস্তবায়ন খুবই জরুরি। আমরা অনেক ক্ষেত্রে অনেক আইন দেখি। কিন্তু সেটির মনিটরিং এবং বাস্তবায়ন জরুরি। আমাদেরকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী যে সমস্ত অর্জনগুলো রয়েছে সেগুলো পুনরুদ্ধারেও আমাদের সবাইকে মিলে কাজ করতে হবে।

শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, শিক্ষায় কাঠামোগত পরিবর্তন নিয়ে বেশকিছু উদ্যোগ নিয়েছিলাম। করোনা আমাদেরকে বাধাগ্রস্থ করেছে। এরপরও অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে দুই-একটি ছাড়া বাকিগুলো কার্যক্রম আমরা করতে পেরেছি। আমাদের মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষক ঘাটতি ছিল। আমরা ইতিমধ্যে সেটি পূরণ করার চেষ্টা করেছি। এসব স্কুলে দুই হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। দীর্ঘদিন পর বেসরকারি স্কুল কলেজ পর্যায়ে আমরা ৩৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছে। পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষে তারা নিয়োগ পাবেন।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এন এইচ, ০৮ আগস্ট

Back to top button
🌐 Read in Your Language