মুন্সিগঞ্জ

শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে মানুষের ঢল

মুন্সিগঞ্জ, ৩০ জুলাই – করোনা সংক্রমণরোধে কঠোর বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে চলছে যাত্রী ও ব্যক্তিগত গাড়ি পারাপার। প্রতিদিনই দেখা যাচ্ছে বিধিভঙ্গের এমন চিত্র।

ফেরিতে যাত্রীর চাপের কারণে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব নেই বললেই চলে। শিমুলিয়াঘাটে পৌছে ঢাকামুখী যাত্রীরা সড়কে পুলিশের চেকপোস্ট এড়িয়ে ছোট যানবাহনে ভেঙে ভেঙে রওনা হচ্ছে রাজধানীর উদ্দেশ্যে। এতে যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে দুই তিনগুণ বেশি ভাড়া।

শুক্রবার সকাল থেকে দেখা যায় বৈরি আবহওয়ার মধ্যেও পারাপার হচ্ছে শতশত যাত্রী, ব্যক্তিগতগাড়ি। শুধুমাত্র জরুরি ও লকডাউনের আওতামুক্ত গাড়ি পারাপারে ফেরি চালু থাকলেও মানা হচ্ছে না নিয়ম। ঘাট অভিমুখে পুলিশের চেকপোস্ট ও ঘাট এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হলেও যাত্রীরা দেখাচ্ছে নানা অজুহাত।

এ প্রসঙ্গে বিআইডাব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক মাহবুব গণমাধ্যমকে জানান, নৌরুটে ছোটবড় মিলিয়ে ৯টি ফেরি সচল রয়েছে। শুধু জরুরি গাড়ি পারাপারেই ফেরি চালু রয়েছে। শিমুলিয়া থেকে বাংলাবাজারগামী যাত্রীর সংখ্যা কম। তবে বাংলাবাজার থেকে শিমুলিয়া ঘাটে আগত প্রতিটি ফেরিতেই চাপ রয়েছে। ঘাটে গাড়ির চাপ না থাকায় যেসব গাড়ি পারাপারের জন্য আসছে তাদের খুব একটা অপেক্ষা করতে হচ্ছে না।

মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ঘাটে দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ জানান, যাত্রীরা নানা অজুহাত দেখাচ্ছে। অনেকে অসুস্থ, কেউ বিদেশ যাবে, কেউ টিকা নেবে, কারো পরিবারের সদস্যের মৃত্যু হয়েছে, কেউ সিম কোম্পানির নেটওয়ার্ক বিভাগে করছে। কিছু লোক বলছে তাদের অফিস থেকে কল আসছে, তাই তারা যাচ্ছে। ফেরির বিষয়ে ফেরি কর্তৃপক্ষ দেখছে। যদি এমনিতেই কেউ ঘুরতে আসে তাদের জরিমানা করা হচ্ছে, অযৌক্তিক কারণে নদী পারের চেষ্টা করলে তাদের ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এন এইচ, ৩০ জুলাই


Back to top button
🌐 Read in Your Language