চট্টগ্রাম

বাবুল-মিতুর সন্তানদের জিম্মায় নিতে চায় নানা

চট্টগ্রাম, ১৬ মে– সাবেক পুলিশ সুপার আকতার ও মাহমুদা খানম মিতুর দুই সন্তানের জিম্মায় নিতে চায় নানা মোশাররফ হোসেন। নাতি-নাতনির জিম্মায় আবেদন করতে রবিবার আদালতেও যান তিনি। কিন্তু করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় আবেদন করতে পারেননি তিনি।

মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘মিতু সন্তানদের দুইজনই অপ্রাপ্ত বয়স্ক। মা পাঁচ বছর আগে খুন হয়েছেন। সেই খুনের দায়ে বাবুল এখন গ্রেফতার। তাই তাদের দেখাশোনা করার মত বিশ্বাস্ত কেউ নেই। তাদের দেখাশোনার দায় দায়িত্ব আমরা নিতে চাই। আজ (রবিবার) আদালতে মাধ্যমে জিম্মা নিতে আবেদন করতে গেছিলাম। আদালত বন্ধ থাকায় আবেদন করতে পারিনি। আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে তাদের জিম্মা নেয়ার জন্য আবেদন করবো।’

তিনি বলেন, ‘মিতু খুনের একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী মাহির। বাবুলের পরিবারের কাছে থাকলে তার নিরাপত্তা হুমকিতে পড়তে পারে। তাই তাদের জিম্মা আমাদের কাছে দেয়া জরুরী।’

জানা যায়, মিতু খুন হওয়ার সময় বাবুলের ছেলে সন্তান মাহির মাহমুদের বয়স ছিল ১২ বছর এবং মেয়ে তাবাসসুমের বয়স ছিল সাত বছর। খুনের পর পর দুই সন্তানকে নিয়ে ঢাকার মেরাদিয়ার শ্বশুরবাড়ির বাসায় উঠেন বাবুল। ওইখানে কিছু দিন থাকার পর ভাড়া বাসায় যান বাবুল। এরমধ্যেই শ্বশুরবাড়ির সাথে দূরত্ব বাড়ে তার। এরপর গত সাড়ে তিন বছরে মিতুর দুই সন্তানের সাথে দেখাই হয়নি নানা-নানীর।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৫ জুন নগরীর জিইসি’র মোড় এলাকায় ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে খুন হন সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। এ ঘটনায় বাবুল আক্তার বাদি হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। খুনের এক মাসের মধ্যেই এ খুনের সরাসরি অংশগ্রহণকারী এবং অস্ত্র সরবারহকারীসহ সাত জনকে গ্রেফতার করে। এছাড়া পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন খুনে সরাসরি অংশগ্রহণকারী রাশেদ ও নবী।

সূত্র : বিডি প্রতিদিন
এম এন / ১৬ মে


Back to top button
🌐 Read in Your Language