থাইল্যান্ডে ইসরায়েলি পর্যটকদের প্রবেশে কড়াকড়ি ও হাবাদের কেন্দ্র বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ

ব্যাংকক,০৩ নভেম্বর-থাইল্যান্ডে ইসরায়েলি নাগরিকদের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিক্ষোভ আরও জোরালো হয়েছে। গত শনিবার (৩১ অক্টোবর) ফুকেতে আলাদা দুটি বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। থাইল্যান্ডে ইহুদি ধর্মীয় ও সামাজিক সেবামূলক সংগঠন হাবাদের কেন্দ্রগুলো বন্ধ করা এবং ইসরায়েলি পর্যটকদের ভ্রমণের ওপর কড়াকড়ি আরোপের দাবিতে এসব বিক্ষোভ করা হয়।
ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিক্ষোভে প্রধান বক্তা ছিলেন থাইল্যান্ডের প্রবীণ গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক অ্যাক্টিভিস্ট এবং সাবেক ইয়েলো শার্টস আন্দোলনের নেতা সন্ধি লিমথংকুল। তিনি এককালীন ভিসায় থাইল্যান্ডে আসা ইসরায়েলি পর্যটকদের অবস্থানের সময়সীমা সর্বোচ্চ ১৫ দিন করার দাবি জানান।
সন্ধির অভিযোগ, ইসরায়েলিরা স্থানীয় ব্যবসার ক্ষতি করছেন। তাঁর দাবি, তাঁরা এমন কিছু ব্যবসা পরিচালনা করছেন, যেগুলোতে শুধু অন্য ইসরায়েলিদের সেবা দেওয়া হয়। এর ফলে ইউরোপীয় পর্যটকরা থাইল্যান্ডে আসতে আগ্রহ হারাচ্ছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
থাই সরকার ইসরায়েলিদের প্রতি নতজানু আচরণ করছে বলেও অভিযোগ করেন সন্ধি। এ ছাড়া কোনো প্রমাণ ছাড়াই তিনি ইসরায়েলের সঙ্গে সরকারের গোপন চুক্তি থাকার ইঙ্গিত দেন।
এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর ব্যাংককে ইসরায়েলি দূতাবাসের বাইরে শত শত মানুষকে নিয়ে বিক্ষোভ করেন লিমথংকুল। ওই বিক্ষোভে ‘ইহুদিরা দূর হও’ এবং ‘তোমরা ইহুদিরা থাই সংস্কৃতি বোঝো না, তাই দূর হয়ে যাও’—এমন বিদ্বেষমূলক বার্তা লেখা ব্যানার দেখা যায়। সে সময় বিক্ষোভকারীরা হাতে থাই পতাকা নিয়ে ‘টেকিং ব্যাক থাইল্যান্ড’ স্লোগানও দেন।
এস এম/ ০৩ নভেম্বর ২০২৬







