সৌদির তেল স্থাপনায় হুথিদের হামলা, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য

ওয়াশিংটন, ০৪ অক্টোবর-সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। রবিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
এদিকে, ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা প্রায় ছেড়েই দিয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শনিবার হোয়াইট হাউস থেকে ওহরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। তবে এবার ট্রাম্প বলছেন, ইরান সেই পরিকল্পনা থেকে প্রায় সরে এসেছে। যদিও তেহরান বরাবরই পরমাণু অস্ত্র তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে এবংাইও অঙ্গরাজ্যে একটি সমাবেশে যোগ দিতে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ দাবি করেন।
রবিবার বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, তেহরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। তবে এবার ট্রাম্প বলছেন, ইরান সেই পরিকল্পনা থেকে প্রায় সরে এসেছে। যদিও তেহরান বরাবরই পরমাণু অস্ত্র তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে এবং তাদের শান্তিপূর্ণ পরমাণু কর্মসূচিতে কোনো আপস করবে না বলে জানিয়েছে।
এ সময় ট্রাম্প আরও দাবি করেন, বর্তমানে তেলের দাম কমছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর থেকেই তেলের দাম তুলনামূলকভাবেডেন প্রশাসনের সময়ের তুলনায়ও এখন তা কম। অথচ ইরান যাতে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে তারা কিছুই করেন বেশ উঁচুতে ছিল।
ট্রাম্প বলেন, ‘তেলের দাম কমছে। এই মুহূর্তে তেলের দাম কম এবং বাইডেন প্রশাসনের সময়ের তুলনায়ও এখন তা কম। অথচ ইরান যাতে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে তারা কিছুই করেনি।’
এরপর তিনি বলেন, ‘আরেকটি বিষয়—আপনারা জানেন, ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরির সব পরিকল্পনা প্রায় ছেড়েই দিয়েছে।’
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল শনিবার সৌদির আরামকোর একটি শোধনাগার থেকে আগুনের শিখা ও ঘন কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। পরে সেখানে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন দমকলকর্মীরা। তবে আগুন লাগার কারণ নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সৌদি কর্তৃপক্ষ বা আরামকোর পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
হুথিদের মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, হামলায় লক্ষ্যবস্তু স্থাপনাগুলোতে আগুন ধরে যায়। ইয়েমেনে হুথিদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায়, বিশেষ করে রাজধানী সানায় সৌদি বিমান হামলার জবাব হিসেবে এসব হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এস এম/ ০৪ অক্টোবর ২০২৬







