জাতীয়

শাহজালাল বিমানবন্দরে বিজি-৫৮৫ ফ্লাইটে ১০০টিরও বেশি সোনার বার জব্দ: চলছে চিরুনি অভিযান

ঢাকা, ২১ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট থেকে শতাধিক সোনার বার জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো এক ঝটিকা অভিযানে এই বিপুল পরিমাণ মূল্যবান ধাতু উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পরপরই পুরো বিমানবন্দর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং চোরাচালান চক্রের মূলহোতাদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-৫৮৫ ফ্লাইটে কাস্টমসের অভিযান

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, রানওয়েতে অবতরণের পরই বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৫৮৫ (BG-585) ফ্লাইটটিতে তল্লাশি চালায় গোয়েন্দা দল। ফ্লাইটটির বিশেষ একটি অংশ থেকে গোপন অবস্থায় রাখা ১০০টিরও বেশি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। চোরাচালানের উদ্দেশ্যে অতি সুকৌশলে এ বারগুলো বিমানে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল বলে প্রাথমিক ধারণায় জানা গেছে।

তদন্তের গতিপথ ও কাস্টমসের অবস্থান

উদ্ধারকৃত চালানের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কাজ করছে কাস্টমস গোয়েন্দাদের বিশেষ দল। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান:

ওজন ও মূল্য নির্ধারণ: জব্দকৃত সোনার মোট ওজন কত এবং বর্তমান বাজারমূল্যে এর আনুমানিক দাম কত দাঁড়াবে, তা সুনির্দিষ্টভাবে পরিমাপের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে।

চোরাচালানীদের শনাক্তকরণ: এই বিপুল পরিমাণ সোনা আনার পেছনে বিমানের কোনো অসাধু ক্রু, কর্মকর্তা কিংবা আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্র জড়িত রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখতে জোর জিজ্ঞাসাবাদ ও সন্দেহভাজনদের তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

বিমানবন্দরে বাড়তি সতর্কতা: ঘটনার সার্বিক গুরুত্ব বিবেচনা করে বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে তল্লাশি প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হয়েছে।

বিপুল পরিমাণ এই সোনা জব্দের ঘটনায় কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে কাস্টমসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। জব্দকৃত সোনার চূড়ান্ত হিসাব ও জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এনএন/ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Back to top button
🌐 Read in Your Language