অস্ত্রসংকট নিয়ে প্রশ্ন তোলা ব্যক্তিদের ‘দেশদ্রোহী’ বললেন ট্রাম্প

ওয়াশিংটন, ৪ সেপ্টেম্বর – ইরানের বিরুদ্ধে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রাগারে গোলাবারুদ ঘাটতির খবর প্রচারকারী ব্যক্তি ও সংবাদমাধ্যমগুলোকে দেশদ্রোহী বলে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ইরানে ওয়াশিংটনের সামরিক অভিযান চলাকালে মার্কিন সামরিক সক্ষমতা নিয়ে যখন নানামুখী আলোচনা চলছে ঠিক তখনই ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এমন কঠোর প্রতিক্রিয়া এলো। ট্রাম্প তার পোস্টে দাবি করেন যে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রাগারে গোলাবারুদের ঘাটতি দেখা দেওয়ার সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।
তিনি বলেন যারা ক্রমাগতভাবে প্রচার করছে যে যুক্তরাষ্ট্র গোলাবারুদ শূন্য হয়ে পড়েছে তারা আসলে দেশের বিরুদ্ধে কাজ করছে। সমালোচকদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরও জানান যে তারা ট্রাম্পের সফলতা দেখার পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে পরাজিত অবস্থায় দেখতে চায়। অথচ যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে জয়ের পথেই রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
পরবর্তী অন্য একটি পোস্টে ট্রাম্প জানান যুক্তরাষ্ট্রের হাতে বর্তমানে উচ্চমানের গোলাবারুদের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে যা যেকোনো যুদ্ধের চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট। তিনি উল্লেখ করেন যে বর্তমানে অভূতপূর্ব গতিতে নতুন অস্ত্র তৈরি করা হচ্ছে এবং নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে খুব দ্রুতই মিত্র রাষ্ট্রগুলোর কাছে তা বিক্রি করা সম্ভব হবে।
যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান। ইউক্রেনকে দেওয়া সামরিক সহায়তার জন্য জো বাইডেনের সাবেক প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন তার পূর্বসূরি কিয়েভকে ইরানের যুদ্ধে ব্যবহৃত পরিমাণের চেয়েও বেশি গোলাবারুদ বিনামূল্যে দিয়েছেন।
কোনো প্রমাণ ছাড়াই তিনি আরও অভিযোগ করেন যে ইউক্রেন ও ন্যাটোকে দেওয়া শত শত কোটি ডলারের ব্যয় ইউরোপের বহন করা উচিত ছিল। ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে তার প্রশাসন ইউরোপীয় দেশগুলোর কাছ থেকে সেই সহায়তার অর্থ ফেরত চাইবে এবং ওয়াশিংটন এই পাওনা আদায়ে কঠোর হবে।
এস এম/ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬







