জাতীয়

আসিফ মাহমুদের দুর্নীতি এনসিপিতে ওপেন সিক্রেট: রাশেদ খাঁন

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন রাশেদ খাঁন
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও রাশেদ খাঁন। ফাইল ছবি

ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর – অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। বুধবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি দাবি করেন যে আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির বিষয়টি তার নিজ দল এনসিপিতে একটি ওপেন সিক্রেট।

রাশেদ খাঁন তার পোস্টে উল্লেখ করেন যে আসিফ মাহমুদ কোনো দুর্নীতি করেননি এমন বক্তব্যের সঙ্গে তিনি একমত নন। তিনি দাবি করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির বিতর্কের দায় নিতে রাজি হননি এবং এ কারণে ঢাকা-১০ আসনটি তাকে ছাড়েননি। এমনকি ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস এ বিষয়ে জামায়াত আমিরের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তিনি আসিফ মাহমুদের জন্য কোনো ছাড় দিতে অস্বীকৃতি জানান।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে রাশেদ খাঁন আরও দাবি করেন যে আসিফ মাহমুদের সংবাদ সম্মেলনে সিনিয়র নেতাদের অনুপস্থিতির কারণও তার দুর্নীতি। তিনি অভিযোগ করেন এনসিপির কর্মীরা মানবেতর জীবনযাপন করলেও আসিফ মাহমুদ মাত্র ১৮ মাসের উপদেষ্টা থাকাকালে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। এছাড়া আসিফ মাহমুদ একজন ব্যক্তিকে বড় অঙ্কের অর্থ প্রদান করেছিলেন বলেও দাবি করেন রাশেদ খাঁন।

রাশেদ খাঁন আরও জানান যে দুদকের তদন্তে ক্লিনচিট পেলেই কেউ অভিযোগ থেকে খালাস পায় না। আসিফ মাহমুদের উচিত ছিল তার ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করা। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে আসিফ মাহমুদ ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে রাশেদ খাঁনের এই অভিযোগের বিষয়ে আসিফ মাহমুদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এস এম/ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬




FAQ

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ করেছেন রাশেদ খাঁন?

রাশেদ খাঁন দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, বিষয়টি এনসিপির ভেতরে ‘ওপেন সিক্রেট’।

ঢাকা-১০ আসন নিয়ে কী দাবি করেছেন রাশেদ খাঁন?

তিনি দাবি করেছেন, আসিফ মাহমুদের জন্য ঢাকা-১০ আসন ছেড়ে দিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস জামায়াতের আমিরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন।

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অভিযোগ কি প্রমাণিত?

এই প্রতিবেদনে ব্যবহৃত প্রকাশ্য তথ্য অনুযায়ী, রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেছেন; অভিযোগগুলোকে প্রমাণিত দুর্নীতি হিসেবে নিশ্চিত করার মতো স্বাধীন নথি পাওয়া যায়নি।

আসিফ মাহমুদ কি অভিযোগের জবাব দিয়েছেন?

রাশেদ খাঁনের অভিযোগ প্রকাশের সময় পর্যন্ত আসিফ মাহমুদের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

রাশেদ খাঁন কোথায় অভিযোগগুলো করেছেন?

তিনি ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া একটি দীর্ঘ পোস্টে এসব দাবি করেন।

Back to top button