স্পিকারের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ: দ্বিপক্ষীয় ও সংসদীয় সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান

ঢাকা, ২ সেপ্টেম্বর – জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বুধবার জাতীয় সংসদে স্পিকারের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে উভয় দেশের সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়, রোহিঙ্গা সংকট নিরসন ও প্রত্যাবাসন এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের মূল ভিত্তি হওয়া উচিত সাধারণ মানুষের মধ্যকার যোগাযোগ। পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে এই সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিগত দেড় দশকে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অনেকটা সরকারকেন্দ্রিক ছিল।
২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে। তবে ২০২৪ সালের ছাত্র ও জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের নতুন পথ সুগম হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানান, ভারত সরকার বাংলাদেশের জনগণের সাথে শক্তিশালী সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী। তিনি ভারতের লোকসভার স্পিকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্পিকারকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান। এ সময় ভারতীয় হাইকমিশনের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এস এম/ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
FAQ
বাংলাদেশি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার কেন বৈঠক করেছেন?
দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়, রোহিঙ্গা সংকট ও প্রত্যাবাসন এবং ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করতে এই বৈঠক হয়।
হাফিজ উদ্দিন আহমদকে কি ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে?
হ্যাঁ। ভারতের লোকসভার স্পিকারের পক্ষ থেকে হাফিজ উদ্দিন আহমদকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান দীনেশ ত্রিবেদী।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে স্পিকার কী বলেছেন?
স্পিকার বলেছেন, দুই দেশের সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগাযোগ এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান।
বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি?
হ্যাঁ। রোহিঙ্গা সংকট ও প্রত্যাবাসনের বিষয় বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে ছিল।
সংসদীয় ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ কী?
দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও মতবিনিময় বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশ-ভারত সংসদীয় ‘ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন দীনেশ ত্রিবেদী।







