স্বর্ণ ও হীরা রফতানি করে ৭ বিলিয়ন ডলার আয়ের পরিকল্পনা বাজুসের

ঢাকা, ২৩ আগস্ট – বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন ২০৩০ থেকে ২০৩১ অর্থবছরের মধ্যে স্বর্ণ ও হীরার অলংকার রফতানি করে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। শনিবার রাজধানীর একটি অনুষ্ঠানে সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট এনামুল হক খান এই পরিকল্পনার কথা জানান।
জুয়েলারি শিল্পকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাতে পরিণত করতে সরকারের কাছে দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা ও নীতিগত সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে বাজুস। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে দেশে প্রায় ৪০ হাজার জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান এবং ৪ লাখ কারিগর রয়েছে।
এই খাতের ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ২৮ লাখ মানুষের জীবনযাত্রা নির্ভরশীল। সংগঠনটি মনে করে ২০২৬ থেকে ২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সুবিধা দেশীয় শিল্পকে আধুনিক ও রফতানিমুখী করতে সহায়ক হবে। নীতিমালার অস্পষ্টতা কাটিয়ে স্বর্ণ আমদানির পথ সহজ করা গেলে স্থানীয় বাজারে অলংকারের দাম ভরিতে অন্তত ৩০ হাজার টাকা কমানো সম্ভব বলে জানানো হয়।
এছাড়া অপ্রদর্শিত স্বর্ণ এককালীন ফি দিয়ে ডিজিটাল ডাটাবেজের আওতায় আনার সুযোগ দিলে সরকার কয়েকশ কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব পেতে পারে। ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০০টি আধুনিক জুয়েলারি কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে জিডিপিতে বড় অবদানের আশা করছে সংগঠনটি।
এই লক্ষ্য পূরণে ঢাকার মধ্যে ১০ বিঘা জমির ওপর বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল স্বর্ণপল্লী বরাদ্দের দাবি জানানো হয়েছে। আধুনিক কারখানার পাশাপাশি সেখানে ডায়মন্ড প্রসেসিং ইউনিট স্থাপন করা গেলে কর্মসংস্থান ও রফতানি আয় উভয়ই বৃদ্ধি পাবে। বর্তমান হীরা আমদানি বিধিমালা যুগোপযোগী করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বাজুস।
এস এম/ ২৩ আগস্ট ২০২৬









