২০৩০ বিশ্বকাপে ৬৪ দল খেলার সম্ভাবনা নিয়ে মুখ খুললেন ইনফ্যান্তিনো

বের্ন, ১২ জুলাই – ফিফা ২০৩০ বিশ্বকাপ থেকে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ৬৪ করার প্রস্তাবটি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির সভাপতি জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো।
সুইজারল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম ব্লুউইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন।
২০২৬ বিশ্বকাপে ৩২টি দলের পরিবর্তে ৪৮টি দল অংশ নিচ্ছে যা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করছে। নতুন এই প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে আরও ১৬টি অতিরিক্ত দল মূল আসরে খেলার সুযোগ পাবে। এর ফলে ফিফার ২১০টি সদস্য দেশের এক চতুর্থাংশের বেশি দেশ চূড়ান্ত পর্বে অংশ নিতে পারবে।
ইনফ্যান্তিনো জানিয়েছেন যে ২০২৬ বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর ফিফার সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো এই প্রস্তাবটি নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা করবে। বর্তমানের ৪৮ দলের ফরম্যাটকে তিনি অত্যন্ত সফল হিসেবে অভিহিত করেন। তার মতে আরও বেশি দেশকে বিশ্বমঞ্চে সুযোগ দিলে ফুটবলে উদীয়মান শক্তিগুলো আন্তর্জাতিক স্তরে বিনিয়োগ এবং লক্ষ্য অর্জনে আরও উৎসাহিত হবে।
তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন যে বিশ্বকাপ শুধুমাত্র ইউরোপ বা দক্ষিণ আমেরিকার জন্য নয় বরং এটি সমগ্র বিশ্বের উৎসব হওয়া উচিত। এই ৬৪ দলের বিশ্বকাপের ধারণাটি প্রথম উপস্থাপন করেছিলেন উরুগুয়ের প্রতিনিধি ইগনাসিও আলোনসো। ২০২৫ সালের মার্চ মাসে ফিফা কাউন্সিলের সভায় তিনি এই আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেন। দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল সংস্থা সভাপতি আলেহান্দ্রো ডোমিঙ্গেস এই প্রস্তাবকে সমর্থন করে জানিয়েছেন যে শতবর্ষী বিশ্বকাপে ৬৪ দলের অংশগ্রহণ একটি স্বপ্নের মতো বিষয় হবে।
তবে এই প্রস্তাবের বিপক্ষেও মত রয়েছে। উয়েফা সভাপতি আলেকসান্দার চেফেরিন এবং কনকাকাফ প্রধান ভিক্টর মন্তালিয়ানি মনে করেন এতে বিশ্বকাপের গুণগত মান নষ্ট হতে পারে এবং বাছাইপর্বের গুরুত্ব কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
উল্লেখ্য যে ২০৩০ বিশ্বকাপটি তিন মহাদেশের মোট ছয়টি দেশে আয়োজিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এনএন/ ১২ জুলাই ২০২৬









