বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলনে সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন রোধে গুরুত্ব দেবে বাংলাদেশ

ঢাকা, ৭ জুন – বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলনে সীমান্ত হত্যা, অবৈধ পুশ-ইন এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ইস্যুকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করা হবে। সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ তথ্য জানান।
দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া চার দিনব্যাপী এই সম্মেলনটি আগামী ৮ জুন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, সীমান্তে বিজিবি অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা পুশ-ইনের চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান চলমান থাকলেও কৌশলী কারণে অনেক ক্ষেত্রে আগাম তথ্য প্রকাশ করা হয় না। এছাড়া বিদ্যমান আইনি ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও জুয়া প্রতিরোধে নতুন আইন প্রণয়নের কাজ চলছে যাতে অপরাধীরা আইনি দুর্বলতার সুযোগ নিতে না পারে।
পুলিশের কর্মকাণ্ডের মূল্যায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভালো কাজের যেমন স্বীকৃতি দেওয়া হবে তেমনি কোনো সদস্যের অবহেলা বা অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।
সাম্প্রতিক আলোচিত রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার দ্রুত বিচারের বিষয়টিকে মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, আদালতের কর্মকর্তা ও বিচারকরা ছুটির মধ্যেও কাজ করে দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। এটি বিচারিক ইতিহাসে এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছে। মামলার ডেথ রেফারেন্স শুনানির বিষয়েও সুপ্রিম কোর্ট ও অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে।
এছাড়া গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ঘাটে পুলিশ সদস্যদের দক্ষতায় অর্ধশত যাত্রীর প্রাণরক্ষা এবং মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় কিশোরী হত্যার রহস্য উদঘাটনে পুলিশের পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন তিনি।
এনএন/ ৭ জুন ২০২৬









