জাতীয়

ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ: কমলাপুর স্টেশনে উপচে পড়া ভিড়

ঢাকা, ৩১ মে – পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি শেষে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ। রোববার ঈদের চতুর্থ দিনে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

টানা সাত দিনের ছুটির শেষ দিনে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা কিছুটা আগেভাগেই তাদের কর্মস্থলে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

যাত্রীদের মতে, গ্রামে যাওয়ার সময় যে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছিল, ফেরার পথ সেই তুলনায় অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক ছিল।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত বিভিন্ন জেলা থেকে অন্তত ১০টি ট্রেন কমলাপুর স্টেশনে এসে পৌঁছেছে। প্রতিটি ট্রেনেই ছিল যাত্রীদের ব্যাপক উপস্থিতি।

বিমানবন্দর স্টেশনে অনেক যাত্রী নেমে গেলেও কমলাপুর পৌঁছানো ট্রেনগুলোতে কোনো সিট খালি ছিল না। এমনকি অনেককে দাঁড়িয়ে ভ্রমণ করতে দেখা গেছে। তবে যাওয়ার সময় ট্রেনের ছাদে যাত্রী দেখা গেলেও ফেরার পথে এমন কোনো দৃশ্য চোখে পড়েনি।

সিরাজগঞ্জ থেকে আসা সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী সাজ্জাদ জানান, সোমবার থেকে অফিস শুরু হবে। শেষ মুহূর্তের ভিড় এড়াতে তিনি একদিন আগেই সপরিবারে ঢাকায় ফিরেছেন। অনলাইনে টিকিট কাটায় যাতায়াত বেশ আরামদায়ক হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

কিশোরগঞ্জ থেকে আসা এগারোসিন্ধু এবং জামালপুর থেকে আসা ট্রেনের চিত্রও ছিল প্রায় একই রকম।

তবে নোয়াখালী থেকে আসা উপকূল এক্সপ্রেসের এক নারী যাত্রী তার গলার স্বর্ণের চেইন হারানোর অভিযোগ করেছেন। খবর পেয়ে আনসার সদস্যরা তল্লাশি চালালেও সেটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

চট্টগ্রাম থেকে আসা সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনটিও নির্ধারিত সময়ের কিছুটা পরে কমলাপুরে এসে পৌঁছায়। যাত্রীদের অভিযোগ, নোয়াখালী এবং চট্টগ্রাম থেকে আসা ট্রেনগুলো ছাড়তে কিছুটা বিলম্ব হওয়ায় গন্তব্যে পৌঁছাতেও দেরি হয়েছে।

অন্যদিকে, এখনো অনেক মানুষকে ঈদের পরবর্তী সময় কাটাতে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে যেতে দেখা গেছে। রেলওয়ে কর্মকর্তাদের মতে, যারা এখন ঢাকা ছাড়ছেন তারা মূলত আগে থেকেই অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করেছিলেন।

এনএন/ ৩১ মে ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language