বগুড়ার পশুর হাটে নির্ধারিত হারের চেয়ে দ্বিগুণ হাসিল আদায়ের অভিযোগ

বগুড়া, ২৩ মে – আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে বগুড়ার বিভিন্ন পশুর হাটে প্রশাসনের নির্ধারিত হারের চেয়ে দ্বিগুণ বা তারও বেশি হাসিল আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক অতিরিক্ত অর্থ আদায় করায় হাটগুলোতে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।
জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান হাট, সুলতানগঞ্জ হাট এবং কাহালু উপজেলার বিবিরপুকুর হাটসহ বিভিন্ন স্থানে এ অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় নিয়ম অনুযায়ী শুধু ক্রেতার কাছ থেকে হাসিল নেওয়ার কথা থাকলেও অনেক হাটে ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়ের কাছ থেকেই টাকা আদায় করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন বড় গরুর জন্য ৮০০ টাকা এবং ছোট গরুর জন্য ৬০০ টাকা হাসিল নির্ধারণ করে দিলেও বাস্তবে গরুপ্রতি ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে।
একইভাবে ছাগল ও ভেড়ার ক্ষেত্রেও নির্ধারিত হারের চেয়ে অনেক বেশি অর্থ নেওয়া হচ্ছে। ক্রেতাদের অভিযোগ অনুযায়ী, অতিরিক্ত হাসিল দিতে অস্বীকৃতি জানালে ইজারাদারের লোকজন ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। অনেক ক্ষেত্রে রশিদে টাকার পরিমাণ উল্লেখ না করে শুধু পশুর বর্ণনা লেখা হচ্ছে যা অনিয়মের প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কাহালু উপজেলার বিবিরপুকুর হাটে আসা এক ক্রেতা জানান, নির্ধারিত ৫০০ টাকার পরিবর্তে তার কাছ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা আদায় করা হয়েছে। প্রতিবাদ করায় তাকে হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে বলেও তিনি জানান।
এ বিষয়ে বগুড়া জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান জানান, নির্ধারিত হারের বেশি হাসিল আদায় না করার জন্য ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
এস এম/ ২৩ মে ২০২৬









