ট্রাম্পের হুমকির মুখে ইরানে যুদ্ধের আবহ: সাধারণ নাগরিকদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ

তেহরান, ১৮ মে – মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সামরিক হামলার হুমকির পর ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে নতুন করে যুদ্ধের আবহ তৈরি হয়েছে। তেহরানের তাজরিশ স্কয়ারসহ বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় নিয়মিতভাবে রাষ্ট্র সমর্থিত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এসব সমাবেশে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান এবং জাতীয়তাবোধকে কেন্দ্র করে জনমত সংগঠিত করার চেষ্টা চলছে। ইরানের পতাকার রঙে সাজানো চশমা পরা টিয়ানা নামে এক তরুণী নিজের দেশ ও জনগণের জন্য জীবন উৎসর্গ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি মনে করেন দেশের সেনাবাহিনী ও কমান্ডাররা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছেন।
ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এক পোস্টে ইরানকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নতুবা সামরিক পদক্ষেপের সম্মুখীন হতে হবে বলে জানান। তেহরানের ভানক স্কয়ারের মতো পাবলিক প্লেসগুলোতে গান কিওস্ক বা অস্ত্র ব্যবহারের প্রাথমিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
সেখানে সাধারণ নাগরিকদের একে ৪৭ রাইফেল ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এমনকি একটি ছোট মেয়েকেও খালি কালাশনিকভ হাতে প্রশিক্ষকের কাছে অস্ত্র চালানোর ভান করতে দেখা গেছে। শুধু তাই নয় ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের উপস্থাপকরাও সরাসরি সম্প্রচারের সময় হাতে রাইফেল নিয়ে দর্শকদের অস্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতন করছেন।
অফোগ চ্যানেলের উপস্থাপক হোসেইন হোসেইনি স্টুডিওর ছাদের দিকে গুলি ছুড়ে প্রশিক্ষণের দৃশ্য প্রদর্শন করেন। যুদ্ধের আশঙ্কা ও জনমনে অনিশ্চয়তা নিয়ে ফাতিমা নামে এক নারী বলেন যে ট্রাম্প আসলে আলোচনায় বিশ্বাস করেন না। রাষ্ট্রীয়ভাবে আয়োজিত এসব নাইট গ্যাদারিংস প্রায় তিন মাস ধরে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত হচ্ছে।
এস এম/ ১৮ মে ২০২৬









