নাটক

কুরবানির ঈদে কেন ঘর থেকে বের হন না তাসনিয়া ফারিণ? কারণ জানালেন অভিনেত্রী নিজেই!

ঢাকা, ১৮ মে – ছোট পর্দা থেকে ওটিটি বা ওপার বাংলার বড় পর্দা—সবখানেই এখন তাসনিয়া ফারিণের জয়জয়কার। অভিনয় আর মিষ্টি হাসিতে কোটি ভক্তের মন জয় করলেও বাস্তব জীবনে এই তারকাকে একটা বিশেষ সময়ে বেশ বেগ পেতে হয়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ঈদের কেনাকাটা, শ্বশুরবাড়ির উপহার এবং কোরবানির ঈদ নিয়ে এক চমকপ্রদ ও অকপট স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ফারিণ।

অভিনেত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোরবানির ঈদের প্রথম দুই দিন তিনি সাধারণত ঘর থেকে একদমই বের হন না! কিন্তু কেন?

ফারিণ জানান, কোরবানির ঈদটা ওভাবে উপভোগ করা উনার পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে না। ফারিণের ভাষায়, “কোরবানির ঈদ আমার খুব একটা ভালো কাটে না। কারণ আমি কোরবানির ঈদের দিন আর পরের দিন একটু কম বের হই। আমি অনেক বেশি ‘স্মেল সেনসিটিভ’ (গন্ধের প্রতি অতিরিক্ত সংবেদনশীল), সেই জন্য এই সময়টায় রুমে বেশি থাকা হয়।”

তবে ঘরে বন্দি থাকলেও ঈদের সামাজিকতা থেকে কিন্তু একদম দূরে থাকেন না ফারিণ। বাইরে রেস্তোরাঁ বা ঘুরতে না গেলেও আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় মাংস নিয়ে যাওয়া, কিংবা বাসায় মেহমান আসলে তাদের জন্য নিজে হাতে রান্না করার কাজগুলো ঠিকঠাকই সামলান এই গ্ল্যামারাস তারকা।

ঈদের কেনাকাটা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ফারিণ জানান, একটা সময় দেদারসে শপিং করলেও এখন নিজের জন্য কেনাকাটা একপ্রকার বন্ধই করে দিয়েছেন। কারণ হিসেবে হেসে বলেন, ঘরে নাকি ইতিমধ্যেই কাপড়ের বিশাল পাহাড় জমে গেছে!

তবে নিজের জন্য না কিনলেও পরিবার আর কাছের মানুষদের উপহার দিতে ভালোবাসেন তিনি। আর কোরবানির ঈদে তো মানুষের মূল ব্যস্ততা থাকে গরু কেনা নিয়ে, তাই কাপড়ের দিকে ফোকাসটা একটু কমই থাকে।

গত বছর ভালোবেসে বিয়ে করেছেন ফারিণ। বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ির কাছ থেকে কেমন উপহার পাচ্ছেন, তা নিয়েও মুখ খুলেছেন তিনি। ফারিণ বেশ মজার ছলে বলেন, “আমার শ্বশুরবাড়ি থেকে অনেক পাকিস্তানি লন গিফট পাই। তো আমার মনে হয় উনারা একটা জায়গা পেয়ে গেলেন আবার আমাকে গিফট করার।”

ঈদের হুলস্থুল শপিং না করলেও শ্বশুরবাড়ির এই ভালোবাসার উপহারে যে ফারিণের ঈদের আনন্দ অনেকটাই পূর্ণ হয়ে ওঠে, তা উনার কথাতেই স্পষ্ট। বড় পর্দার ব্যস্ততা কাটিয়ে এবারও কাছের মানুষদের সাথে একটা ঘরোয়া কিন্তু আনন্দময় ঈদ কাটানোর অপেক্ষায় আছেন এই প্রিয় অভিনেত্রী।

এনএন/ ১৮ মে ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language