যশোরে চাহিদার তুলনায় কোরবানির পশুর জোগান বেশি, দুশ্চিন্তায় খামারিরা

যশোর, ১৭ মে – আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে গত বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও যশোরে চাহিদার তুলনায় বেশি কোরবানির পশু প্রস্তুত করেছেন স্থানীয় খামারিরা। জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জেলার সাড়ে ১৩ হাজার ছোট বড় খামারি ও কৃষক মোট ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৯৭টি পশু হাটে তোলার জন্য প্রস্তুত করেছেন।
যেখানে জেলায় কোরবানির পশুর মোট চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ১২৮টি। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় বাজারে প্রায় ১৪ হাজার ৮৬৯টি পশু বেশি রয়েছে। জেলাজুড়ে প্রস্তুত করা পশুর মধ্যে ২৮ হাজার ৮৪৪টি ষাঁড়, ৯৫৭টি বলদ, ৬ হাজার ৪৫৮টি গাভী, ৮১ হাজার ২৭৬টি ছাগল এবং ৪৪২টি ভেড়া রয়েছে।
চাহিদার তুলনায় পশুর জোগান বেশি হওয়ায় দাম কমে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন খামারিরা। প্রান্তিক খামারিদের দাবি, গত কয়েক বছরে পশুখাদ্য, ওষুধ এবং পরিবহন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। উৎপাদন খরচ যে হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, বাজারে পশুর কাঙ্ক্ষিত দাম না পেলে তাদের বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে হবে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সিদ্দীকুর রহমান জানান, উৎপাদন খরচ কমাতে খামারিদের দানাদার খাদ্যের পাশাপাশি কাঁচা ঘাস খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কোরবানির হাটগুলোতে অসুস্থ পশু শনাক্তে বিশেষ ভেটেরিনারি টিম কাজ করবে।
পশুর হাটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ক্রেতা ও বিক্রেতারা যাতে নির্বিঘ্নে কেনাবেচা করতে পারেন, সেজন্য প্রতিটি হাটে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় থাকবে।
এস এম/ ১৭ মে ২০২৬









