যিশুর পুনরুত্থানের স্মরণে আজ বিশ্বব্যাপী ইস্টার সানডে পালিত হচ্ছে

খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে আজ বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হচ্ছে। মৃত্যুঞ্জয়ী যিশুখ্রিস্টের পুনরুত্থানের এই দিনটি খ্রিস্টানদের কাছে নতুন জীবনের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। বড়দিনের পর এটি তাদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব।
খ্রিস্টীয় বিশ্বাস অনুযায়ী গুড ফ্রাইডেতে বিপথগামীদের হাতে ক্রুশবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করার তৃতীয় দিনে অর্থাৎ রোববারে যিশুখ্রিস্ট মৃত্যুকে জয় করে পুনরুত্থিত হয়েছিলেন। মানুষের কল্যাণে নিজের জীবন উৎসর্গ করে সত্য ও সুন্দরের পথে এগিয়ে যাওয়ার শিক্ষাই এই দিনটির মূল বাণী।
ইস্টার সানডের তারিখটি নির্দিষ্ট নয়। সাধারণত ২১ মার্চের পর আকাশে প্রথম পূর্ণিমা দেখা যাওয়ার পরের রোববার এই উৎসব পালিত হয়।
গ্রেগরিয়ান ও জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের হিসাব অনুযায়ী সাধারণত ৪ এপ্রিল থেকে ৮ মের মধ্যে যেকোনো একটি রোববার ইস্টার সানডে উদযাপিত হয়।
যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার সাল নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। সাধারণ বিশ্বাস অনুযায়ী ৩৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি ক্রুশবিদ্ধ হন। তবে প্রখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার আইজাক নিউটনের মতে এটি ছিল ৩৪ খ্রিস্টাব্দ।
ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের পাশাপাশি এদিন বিশ্বজুড়ে নানা উৎসবমুখর আয়োজন থাকে। যিশুর নতুন জীবনের প্রতীক হিসেবে এদিন ইস্টার এগ বিতরণ করা হয়। ডিমগুলোকে নানা রঙে আকর্ষণীয়ভাবে সাজিয়ে তোলা হয়।
শিশুদের আনন্দ দেওয়ার জন্য ইস্টার বানি সেজে চকলেট বা উপহার বিতরণের প্রথাও বেশ জনপ্রিয়।
উৎসবটি বিশ্বজুড়ে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের মাঝে এক অনাবিল আনন্দের বার্তা বয়ে আনে।
এনএন/ ৫ এপ্রিল ২০২৬






