বিএনপি নেতাকর্মীদের হাত থেকে জান না বাঁচলে ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে কী হবে

কুমিল্লা, ২৯ জানুয়ারি – জুলাই ও আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে দুই হাজার মানুষের শাহাদাতের পর এবং একটি ভয়ংকর স্বৈরতন্ত্রের পতনের পর আবারও রাজনীতি করতে গিয়ে কাউকে প্রাণ দিতে হবে এমনটি কল্পনাও করা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।
কুমিল্লা-৪ দেবীদ্বার আসনে ১০-দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের এই মুখ্য সংগঠক বুধবার দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এই মন্তব্য করেন। শেরপুরের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সহিংসতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি এই ঘটনার জন্য বিএনপির পাশাপাশি বর্তমান সরকারকেও দায়ী করেছেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ তার পোস্টে উল্লেখ করেন যে তারেক রহমান দেশে ফেরার পর থেকে প্রশাসন ও সরকার একটি নির্দিষ্ট দলকে সকল ক্ষেত্রে অন্যায্য সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং শেরপুরের ঘটনাটি সেই পরিস্থিতিরই একটি ফলাফল। তিনি অভিযোগ করে বলেন যে গত দেড় বছরে বিএনপি নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বহু মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। এই বিষয়ে বারবার সতর্ক করা হলেও বিএনপি কোনো কর্ণপাত করেনি বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
তার মতে বিএনপি তাদের কথা আমলে নিলে মাওলানা রেজাউল করিমকে এভাবে নির্মমভাবে প্রাণ হারাতে হতো না।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত বিভিন্ন পরিকল্পনার সমালোচনা করেন। হাসনাত প্রশ্ন তোলেন যে তারেক রহমান সারা দেশে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড নিয়ে কথা বলছেন এবং তার পরিকল্পনার কথা জানাচ্ছে কিন্তু নিজের দলের নেতাকর্মীদের সংহিসতা ও খুনখারাবি থেকে নিবৃত্ত করার জন্য তার কী পরিকল্পনা রয়েছে তা দেশবাসী জানে না।
তিনি মন্তব্য করেন যে বিএনপি নেতাকর্মীদের হাত থেকে সাধারণ মানুষের জানই যদি না বাঁচে তবে সেই ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে মানুষ কী করবে।
এনএন/ ২৯ জানুয়ারি ২০২৬









