
নওগাঁ, ১৮ নভেম্বর- অগ্রহায়নের শুরুতে কৃষকের ঘরে নতুন ধান তোলার আনন্দ প্রকাশের নাম হচ্ছে বাংলার নবান্ন উৎসব। নওগাঁয় নাচ গানসহ নানা সামাজিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নবান্নের উৎসবে উঠেন সংস্কৃতিমনারাও। বিশিষ্টজনরা বলছেন, নতুন প্রজম্মের কাছে নবান্নের তাৎপর্য তুলে ধরে নিজস্ব সংস্কৃতি চর্চা বাড়াতে দরকার সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা।
নওগাঁর শিশু আর কিশোরী শিল্পীরা নুপুর পায়ে সুর আর সংগীতে তুলে ধরে আবহমান বাংলার নিজস্ব সংস্কৃতি নবান্ন উৎসব। শিল্পীদের নাচের তালে চলে নতুন ধান কেটে তোলার বন্দনা। নুতন ধানের চিড়া দিবো নতুন ধানের খই, নতুন ধানের ভাত রেঁধেছি পড়শীরা তোরা কই…. নওগাঁর মুক্তির মোড় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় সাংস্কতিক অনুষ্ঠান।
গ্রামীণ জীবনের লোক সংগীতও তুলে ধরা হয় এ উৎসব। করোনাকালের দীর্ঘদিন পর এমন উৎসবে অংশ নিতে পেরে খুশি শিল্পী ও দর্শকরা।
গ্রামীণ লোকজ সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মর কাছে তুলে ধরতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার আহ্বান জানান নওগাঁ শিল্পকলা একাডেমির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো ইমরুল কায়েস ও নওগাঁ সরকারি ডিগ্রি কলেজ অধ্যক্ষ (অব.) মো. শরিফুল ইসলাম।
বন্ধু মিতালী ফাউন্ডেশনের আয়োজনে নবান্ন উৎসবে নিত্যাঞ্জলী একাডেমি ও নওগাঁ বাউল দলের শিল্পীরা নাচ ও গান পরিবেশন করেন।
সূত্রঃ সময় নিউজ
আডি/ ১৮ নভেম্বর








