টলিউড

দরগায় মাথা ঠেকালেন মিমি, ফেসবুকে বিরূপ প্রতিক্রিয়া

কলকাতা, ৩০ মে – কলকাতার জনপ্রিয় নায়িকা ও সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গের দরবার-ই ইকরাম হলদিবাড়ি দরবার শরীফে গিয়ে জিয়ারত করেছেন তিনি। সেটিকে কেন্দ্র করে ফেসবুকে বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন নেটিজেনরা।

সোমবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দরগায় তোলা কিছু ছবি পোস্ট করেছেন মিমি। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘হুজুর সাহেবের দরগায়’।

সেখানে দেখা যাচ্ছে, দরগায় গিয়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রার্থনা করছেন মিমি। তার সঙ্গে একটি ছোট্ট মেয়েকেও দেখা যাচ্ছে।

ছবিগুলো পোস্ট দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেগুলো নেটিজেনদের নজর কেড়েছে। দুই ঘণ্টা পার হতে না হতেই ৩১ হাজারের বেশি নেটাগরিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। হাজারের বেশি মন্তব্য করেছেন তারা। কেউ কেউ মিমির প্রশংসা করলেও অনেকেই বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

শাফিউল আজম পাভেল লিখেছেন, ‘দরগায় গেছেন ভালো কথা ম্যাম, কিন্তু মাথা ঠেকানোটা দরগায় শুয়ে থাকা মানুষটাও অপছন্দ করেন।’

মোহাম্মদ ইমরান স্বপন লেখেন, ‘অন্য ধর্মালম্বীদের মাজারে যাওয়া মানে ইসলামকে ভুল-ভ্রান্তিতে ওনাদের সামনে উপস্থাপন করা। ইসলামে মাজারে মাথা নত করা মানে শিরকের মতো বড় গুনাহ করা।’

সানাউল্লাহ রনি লিখেছেন, ‘গেছেন তাতে কোনো সমস্যা নেই। তবে তার কাছে কোনো কিছু চাওয়া যাবে না। তাকে যিনি সৃষ্টি করেছেন, তার কাছে চাইতে হবে। যদিও আপনার বেপারটা আলাদা।’

রতন বাড়ই লেখেন, ‘মিমি চক্রবর্তীর মনে আমাদের সনাতন ধর্মের প্রতি বিশ্বাস নেই। সে জন্য মাজারের প্রতি আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। এক সময় সে অন্য ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে যায় কি না সেটা ভাববার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

লিটন আহমেদ লিখেছেন, ‘এদের জন্যই সমাজে এত বিদআত। আলেমদের ছেড়ে এদেরকে ফলো করেই আজ মানুষ কবরে সিজদা করে, মৃত ব্যক্তির কাছে চায়। এগুলোই শিরক।’

মামুন শেখ লেখেন, ‘কোনো কবরের কাছে মাথা নত করা হারাম। কিছু চাইতে হলে সরাসরি আল্লাহর কাছে চাইতে হয়।’

নিখিল ভট্টাচার্য লিখেছেন, ‘মায়ের পায়ে মাথা ঠোকো, তাহলে আর কোনো শক্তি নেই তোমাকে পরাস্ত করে।’

প্রসঙ্গত, মিমি যে দরগায় গেছেন সেটি পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলায় বাংলাদেশের নীলফামারী জেলার চিলাহাটি সীমান্ত ঘেঁষে অবস্থিত। শুধু মিমি নয়, এর আগে তারকা দম্পতি রাজ চক্রবর্তী ও শুভশ্রীর দরগায় যাওয়া নিয়েও বেশ সমালোচনা হয়েছে। একই বিষয়ে আলোচনায় এসেছিলেন আরেক তারকা দম্পতি যশ দাশগুপ্ত ও নুসরাত জাহান।

এম এস, ৩০ মে


Back to top button
🌐 Read in Your Language