সচেতনতা

মাস্কে যত সমস্যা

মেহেদী আল মাহমুদ

কোভিড-১৯ শুরু হবার পর থেকে আমাদের দেশসহ বিশ্বের অনেক জায়গাতেই মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক। করোনাভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে মাস্ক খুব জরুরি। তবে একটানা মাস্ক পরার কিছু জটিলতাও আছে। তাই বলে কি মাস্ক পড়বেন না? অবশ্যই পড়বেন। তবে সেজন্য কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে।

গরমের দিনে মাস্ক ব্যবহার করলে নাক মুখে ঘাম হয়। যাদের ব্রণ হবার ইতিহাস আছে তাদের জন্য এটা খুব সমস্যা করে। মুখ ব্রণে ভরে যায়। এই সমস্যা এড়াতে স্পট ট্রিটমেন্ট অ্যাপ্লাই করতে পারেন। বাজারে ব্রণের যে ওষুধগুলো পাওয়া যায়, সেগুলোও কাজে আসতে পারে। ব্রণের উপরে চন্দন বেটে দিলেও উপকার পাবেন। বাইরে থেকে এসে অয়েল ফ্রি ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়া ভালো।

আগেই বলেছি মুখের যে অংশ মাস্কে ঢাকা থাকে সেখানে বাড়তি ঘাম হয়। সুতি কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করলে ঘামের পরিমাণটা কমতে পারে। তবে যদি ওয়ান টাইম মাস্কই ব্যবহার করেন, তাহলে ওয়েট টিস্যু দিয়ে ঘাম মুছে নিন।

সেনসেটিভ ত্বক যাদের, তারা মাস্ক ব্যবহার করলে ত্বক লাল হয়ে যায়। এরকম সমস্যায় ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখটা ধুয়ে নিতে পারেন মুখে অ্যালোভেরা জেল লাগালে লালচেভাব কেটে যাবে।

মাস্ক পরলে অনেকের মুখ চুলকায় কিংবা চল্টার মতো চামড়া উঠতে থাকে। মাস্কের উপাদানটি ত্বকের সঙ্গে খাপ খাচ্ছে না বলেই সম্ভবত এমনটা হয়। এরকম পরিস্থিতিতে মাস্কের ধরন বদলে ফেলাই ভালো।

ভেজা মাস্ক থেকে ত্বকে প্রদাহ হতে পারে। তাই সবসময় শুকনো মাস্ক ব্যবহার করুন। বাইরে বের হবার আগে বাড়তি মাস্ক সঙ্গে নিন। বৃষ্টির কারণে ভিজে গেলে মাস্ক বদলে ফেলুন।

শিয়া বাটার, কোকো বাটার, জোজোবা অয়েল ত্বকে বাড়তি সুরক্ষা জোগায় বলে বাইরে বের হবার আগে মুখে ভালো করে ময়েশ্চারাইজার মেখে নিন।

মাস্ক পরলে আপনার মুখ ঘামবেই। তার উপর মুখে ভারী মেকআপ করলে তা ঘামের সঙ্গে মিশে ত্বকে বিক্রিয়া করতে পারে। তাই মেকআপ খুব হালকা রাখুন। ফাউন্ডেশন, কমপ্যাক্ট যতটা সম্ভব কম মাখুন।

এন এইচ, ১৪ জুন

Back to top button