প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্বোধনে ৩ নভেম্বর শুরু হচ্ছে প্রথম বাংলাদেশ সোলার এক্সপো

ঢাকা,০১ নভেম্বর-রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) আগামী ৩ নভেম্বর সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী প্রথম ‘বাংলাদেশ সোলার এক্সপো ২০২৬’। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দেশের প্রথম এই সোলার এক্সপোর উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের পর তিনি মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখবেন এবং বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করবেন।
রবিবার বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। আগামী ৩ ও ৪ নভেম্বর আয়োজিত এই এক্সপোর প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘ছাদের প্রতিটি ইঞ্চি করুন ব্যবহার, সৌর বিদ্যুতে আয় বাড়ান বারবার’। এক্সপোটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং অবকাঠামো উন্নয়ন কোম্পানি লিমিটেডের (ইডকল) যৌথ উদ্যোগে এই আন্তর্জাতিক মেলার আয়োজন করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানিমন্ত্রী জানান, এক্সপো চলাকালে সৌরশক্তির বিভিন্ন ব্যবহার ও এর বিস্তার নিয়ে মোট চারটি মূল সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এসব সেমিনারে জাতীয় জ্বালানি ব্যবস্থায় সৌরবিদ্যুতের অবদান বাড়ানো, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে এর ব্যবহার ছড়িয়ে দেওয়া এবং সাধারণ নাগরিক ও উদ্যোক্তাদের খালি জমি ও বাসাবাড়ির ছাদ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের বিদ্যমান বিদ্যুৎ ঘাটতি দূর করা এবং তীব্র গরমে মানুষের ভোগান্তি কমাতে সরকার অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকদের সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশল (২০২৬-২০৩০) বাস্তবায়নে সহায়তা করা এবং নবায়নযোগ্য শক্তি খাতে সরকারের নেওয়া নীতিমালা ও প্রণোদনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানানোই এই প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য। এক্সপোতে সৌরশক্তি খাতের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি বিনিয়োগকারী, অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান ও সবুজ উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ তৈরি এবং তহবিলের ব্যবস্থা করার সুযোগ থাকবে।
এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে নীতিনির্ধারক, সরকারি সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি সরবরাহকারী, উদ্যোক্তা ও সাধারণ গ্রাহকেরা অংশ নেবেন। একই সঙ্গে মেলা থেকে সরকারি প্রণোদনা, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি, কর ও শুল্ক সুবিধা, গ্রিন ও ক্লাইমেট ফাইন্যান্সিং, কার্বন ক্রেডিট, সৌরচালিত সেচ ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নসংক্রান্ত সব ধরনের হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যাবে।
এস এম/ ০১ নভেম্বর ২০২৬







