পোর্টসমাউথের কাছে ৩-২ গোলে হারল শেফিল্ড, হামজার লাল কার্ড নিয়ে ক্ষুব্ধ কোচ

ঢাকা,১৫ অক্টোবর-ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপে পোর্টসমাউথের কাছে ৩-২ গোলে হেরেছে শেফিল্ড ইউনাইটেড। ম্যাচে বাংলাদেশের তারকা ফুটবলার হামজা দেওয়ান চৌধুরীর লাল কার্ড দেখার সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রেফারির এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শেফিল্ড ইউনাইটেডের কোচ ক্রিস ওয়াইল্ডার।
ম্যাচের ৪১ ও ৫৪ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় পোর্টসমাউথ। এরপর ৫৯ মিনিটে ব্যবধান কমায় শেফিল্ড ইউনাইটেড। ৬৭ মিনিটে আরেকটি গোল করে সমতায় ফেরে হামজার দল। তবে ৮৯ মিনিটে আবারও গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ে তারা। শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় শেফিল্ড ইউনাইটেডকে।
ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষ দিকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় হামজাকে। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড় রায়ান কাভুমা-ম্যাককুইন তাঁর দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে বল নিয়ে যাওয়ার পর পড়ে গেলে ফাউল দেন রেফারি অলিভার ল্যাংফোর্ড। এরপর হামজাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেন তিনি। তবে রেফারির এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শেফিল্ড ইউনাইটেডের কোচ।
ম্যাচ শেষে ক্রিস ওয়াইল্ডার দাবি করেন, শুরুতে রেফারি হামজাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখাবেন না বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে তিনি নিজের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন। ওই পরিস্থিতিতে হামজার পক্ষে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের সঙ্গে সংস্পর্শ এড়ানো কতটা সম্ভব ছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শেফিল্ডের কোচ।
ওয়াইল্ডার বলেন, ‘হামজা আর কোথায় যাবে? সত্যি বলতে, হামজার যাওয়ার জায়গাটা কোথায় ছিল, আমি বুঝতেই পারছি না।’
রেফারির সমালোচনা করতে গিয়ে কথাবার্তায় সতর্ক থাকার বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি। ওয়াইল্ডারের ভাষ্য, ‘ওই মুহূর্তে হামজার কোথায় থাকার কথা ছিল, আমি বুঝতে পারছি না। আমাকে খুব সাবধানে কথা বলতে হচ্ছে। কারণ অনেক কিছু হয়তো বলতে চাইলেও আমি তা বলতে পারছি না।’
হামজার লাল কার্ডের সিদ্ধান্তের পাশাপাশি ম্যাচের শেষ দিকে পেনাল্টি না দেওয়ার বিষয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন শেফিল্ড ইউনাইটেডের কোচ। তাঁর দাবি, প্রতিপক্ষের বক্সের মধ্যে শেফিল্ডের এক খেলোয়াড়কে জার্সি ধরে টেনে ফেলে দেওয়া হলেও রেফারি পেনাল্টি দেননি।
এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ওয়াইল্ডার বলেন, ‘খেলার একেবারে শেষ মুহূর্তে আমাদের এক খেলোয়াড়কে পেনাল্টি এলাকায় টেনে ধরা হলো। এমনকি তার জার্সিটিও শরীর থেকে প্রায় খুলে আসছিল, যা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। এগুলো আমাকে ভীষণ হতাশ করেছে।’
এস এম/ ১৫ অক্টোবর ২০২৬







