ভাঙ্গায় এবার ৯০ মন্দিরে দুর্গাপূজা, ১৩টি মন্দির ঝুঁকিপূর্ণ

ফরিদপুর, ০৮ অক্টোবর-ফরিদপুরের ভাঙ্গায় শারদীয় দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে মন্দিরে মন্দিরে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়নের মোট ৯০টি মন্দিরে এবার দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১৩টি মন্দিরকে ঝুঁকিপূর্ণ, ৩টি মন্দিরকে কম ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৭৪টি মন্দিরকে সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
ইতোমধ্যে বিভিন্ন মন্দিরে প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে। প্রতিমাশিল্পীরা দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন। পাশাপাশি মন্দিরের গেট নির্মাণ, সাজসজ্জা ও অন্যান্য প্রস্তুতির কাজও এগিয়ে চলছে। আলগী ইউনিয়নের গুণপালদি গ্রামের কৃষ্ণপদ বিশ্বাসের বাড়িতে এ বছর প্রথমবারের মতো দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পূজা হবে ভাঙ্গা পৌরসভায়। এখানে ১৯টি মন্দিরে পূজার আয়োজন চলছে। এছাড়া চান্দ্রা ইউনিয়নে ৯টি, তুজারপুরে ৯টি, কাউলীবেড়ায় ৯টি, কালামৃধায় ৯টি, চুমুরদীতে ৭টি, নাছিরাবাদে ৬টি, হামিরদীতে ৫টি, আজিমনগরে ৫টি, আলগীতে ৪টি, ঘারুয়ায় ৩টি, মানিকদহে ৩টি এবং নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নে ২টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
পূজা উদযাপন ফ্রন্টের তালিকা অনুযায়ী, ভাঙ্গা পৌরসভার ছিলাধরচর এলাকার মোদন মোহন আঙ্গিনা পূজা মন্দিরসহ উপজেলার ১৩টি মন্দিরকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আরও তিনটি মন্দিরকে কম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভাঙ্গা পৌরসভার ছিলাধরচর মোদন মোহন আঙ্গিনা পূজা মন্দির কমিটির সভাপতি বিপুল চক্রবর্তী বলেন, পূজার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। প্রতিমা তৈরির পাশাপাশি গেট নির্মাণ ও সাজসজ্জার কাজ চলছে।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের ভাঙ্গা উপজেলা শাখার সভাপতি বিমল চন্দ্র দাস বলেন, গত বছর ভাঙ্গায় ৮৯টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এবার একটি মন্দির বেড়ে মোট ৯০টি মন্দিরে পূজা হবে। প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, উপজেলার অধিকাংশ মন্দির ইতোমধ্যে পরিদর্শন করা হয়েছে। মন্দির কমিটি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে। প্রতিটি মন্দিরের বিষয়ে পুলিশের নজরদারি রয়েছে। সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশে দুর্গাপূজা সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এস এম/ ০৮ অক্টোবর ২০২৬







