গণতন্ত্র রক্ষা করাটাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব — সিলেটে নাগরিক সংবর্ধনায় রাষ্ট্রপতি

সিলেট, ১৫ সেপ্টেম্বর – রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম ও অগণিত সন্তানের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রকে যেকোনো মূল্যে টিকিয়ে রাখা এবং শক্তিশালী করাই এখন দেশের প্রধান কাজ বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) বিকেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) প্রাঙ্গণে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির মূল বক্তব্যসমূহ
ফিনিক্স পাখির মতো প্রত্যাবর্তন: রাষ্ট্রপতি বলেন, “বাংলাদেশে যারা গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ করি, তারা অনেকটা ফিনিক্স পাখির মতো। ধ্বংসস্তূপ থেকেও আবার সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। হাজারো সন্তানের প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত গণতান্ত্রিক পরিবেশ যেন হেলায় না হারায়।”
তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার: আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সরকার দেশকে ভগ্নস্তূপ থেকে দ্রুত জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করছে।
সংসদকে সচল রাখার আহ্বান: সরকারি ও বিরোধী দল উভয় পক্ষের প্রধান দায়িত্ব হবে সংসদকে ফাংশনাল ও কার্যকর রাখা। যেকোনো দ্বিমত আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব।
দেশ পুনর্গঠনের সংকল্প: অতীতে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই হলেও এখনকার মূল লড়াই দেশকে পুনর্গঠন করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য আবাস নির্মাণ করা।
সিলেটের উন্নয়ন বার্তা: সিসিক প্রাঙ্গণে সিলেটের নগর সমস্যার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এখানকার জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীবর্গ অত্যন্ত যোগ্য। ইতোমধ্যে অনেক বড় বড় কাজ শুরু হয়েছে এবং দ্রুতই সিলেটের মানুষের দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্পন্ন হবে।
সামাজিক মাধ্যমে জনমত ও নাগরিক প্রতিক্রিয়া
রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্য সামনে আসার পর দেশজুড়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে:
“সংসদকে কেন্দ্র করে সরকারি ও বিরোধী দলের যৌথ দায়িত্বশীলতার আহ্বানটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। বারবার বাধা পাওয়া গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হলে কার্যকর সংসদের বিকল্প নেই।” — রাজনৈতিক বিশ্লেষক
এনএন/ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬







