মধ্যপ্রাচ্য

ইরান বলছে, হামলা চালিয়েও তাদের পারমাণবিক জ্ঞান ও সক্ষমতা থামানো যাবে না

পারমাণবিক জ্ঞান ও সক্ষমতা

তেহরান,১০ সেপ্টেম্বর- ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা শুধু স্থাপনা, ভবন বা যন্ত্রপাতির ওপর নির্ভর করে না। কোনো ধরনের আগ্রাসন চালিয়েও দেশটির বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি থামানো সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) বোর্ড অব গভর্নরসের বৈঠকে অংশ নেওয়া ইরানি প্রতিনিধিদল।

সম্প্রতি এক বিবৃতিতে ইরানি প্রতিনিধিদল এ অবস্থান তুলে ধরে। বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৫ ও ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের কয়েকটি শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির ব্যবহারও ব্যাহত হয়েছে। তবে দেশটির পারমাণবিক সক্ষমতার মূল ভিত্তি হলো মানুষের জ্ঞান, দৃঢ়তা ও দক্ষ মানবসম্প বৈজ্ঞানিক জ্ঞান একবার মানুষের মধ্যে গভীরভাবে প্রতিষ্ঠিত হলে তা টিকে থাকে এবং প্রজন্মের পর প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ে। ইরানের ক্ষেত্রেও বিষয়টি একইামোর উন্নয়নের মাধ্যমে দেশটি এই সক্ষমতা গড়ে তুলেছে। বর্তমানে এই টেকসই বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে, যা ইরানের অভ্যন্তরীণ চাহদ।

ইরানি প্রতিনিধিদল বলেছে, স্থাপনায় হামলা চালানো কিংবা বিজ্ঞানীদের হত্যা করা সম্ভব হলেও মানুষের মধ্যে বিজ্ঞান ও জ্ঞানের যে ভিত্তি তৈরি হয়েছে, তা ধ্বংস করা যায় না। কোনো বৈজ্ঞানিক জ্ঞান একবার মানুষের মধ্যে গভীরভাবে প্রতিষ্ঠিত হলে তা টিকে থাকে এবং প্রজন্মের পর প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ে। ইরানের ক্ষেত্রেও বিষয়টি একই বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিনিধিদলের ভাষ্য, পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ইরানের অর্জন একদিনে তৈরি হয়নি। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, সঞ্চিত জ্ঞান এবং নিজস্ব অবকাঠামোর উন্নয়নের মাধ্যমে দেশটি এই সক্ষমতা গড়ে তুলেছে। বর্তমানে এই টেকসই বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে, যা ইরানের অভ্যন্তরীণ চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ করছে।

প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি প্রতিনিধিদলের বিবৃতিতে পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। সেখানে কৃষি, পরিবেশ সুরক্ষা, ফসলের উন্নয়ন, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ, খাদ্য সংরক্ষণ, রেডিওআইসোটোপ উৎপাদন এবং চিকিৎসা ও শিল্প খাতে বিকিরণ প্রযুক্তির ব্যবহারের কথা তুলে ধরা হয়।

এস এম/ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Back to top button